বাংলাদেশের দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগাতে মরক্কোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বিশেষ করে দেশটির স্বাস্থ্য, কৃষি, অবকাঠামো নির্মাণ, তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্প এবং আইসিটি খাতের মতো সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিতে তিনি অনুরোধ জানান।আজ বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত মরক্কোর নতুন আবাসিক রাষ্ট্রদূত লাল্লা বুতাইনা এল কারদৌদি এল কৌলালি রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন। বাণিজ্য ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের তাগিদ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ ও মরক্কোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বৈঠকে রাষ্ট্রপতি দুই দেশের বিদ্যমান চমৎকার ও ঐতিহাসিকভাবে দৃঢ় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি ১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরক্কো সফরের স্মৃতি স্মরণ করেন এবং তাঁর স্মরণে রাজধানী রাবাতে একটি সড়কের নামকরণ করায় মরক্কোর জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দেশের উন্নয়ন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা মানবসম্পদ উন্নয়ন: দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন যুগান্তকারী কর্মসূচি এবং এ খাতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্জনের চিত্র রাষ্ট্রপতির সামনে তুলে ধরেন। রোহিঙ্গা সংকট: মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পক্ষে আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে মরক্কোর জোরালো সমর্থনের জন্য দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। একই সাথে ভবিষ্যতেও এই সমর্থন বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বঙ্গভবনে জমকালো অভ্যর্থনা এর আগে, নতুন রাষ্ট্রদূত বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি চৌকস দল তাঁকে আনুষ্ঠানিক ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে তাঁর কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সচিবগণ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।























