০৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাস্টমসের অসাধু সিন্ডিকেট: বন্ড সুবিধায় কোটি টাকার পিভিসি ফ্লেক্স জালিয়াতি

  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • 366

কাস্টমসের অসাধু সিন্ডিকেট: বন্ড সুবিধায় কোটি টাকার পিভিসি ফ্লেক্স জালিয়াতি

তৈরি পোশাক ও সহযোগী এক্সেসরিজ খাতের প্রসারে আমদানিকৃত কাঁচামালে দেওয়া সরকারের শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধার ভয়াবহ অপব্যবহারের চিত্র ফুটে উঠেছে এক অনুসন্ধানে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা ও কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের একশ্রেণীর শীর্ষ কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে হাজার হাজার টন ‘পিভিসি ফ্লেক্স’ আমদানির অনুমোদন ও খালাসের সুযোগ করে দিয়েছে। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আনা এসব কাঁচামাল দিয়ে পণ্য তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো তা সরাসরি খোলাবাজারে বিক্রি করে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পিভিসি ফ্লেক্সের এই খোলাবাজারে অবৈধ বিক্রয় ও অপব্যবহার রোধে এনবিআর গত ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে এক জরুরি চিঠির (নথি নং-৩২৫) মাধ্যমে কড়া নজরদারির নির্দেশ জারি করে। কিন্তু কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা (দক্ষিণ) এই নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঠিক সেই একই দিনে (১৪/০৯/২০২৫) ফতুল্লার মেসার্স রেডিয়ান এক্সেসরিজকে ৮৬৭ মেট্রিক টন পিভিসি ফ্লেক্স ও লেদার আমদানির বার্ষিক কোটা অনুমোদন করে। ঢাকা (দক্ষিণ) ও ঢাকা (উত্তর) কমিশনারেট থেকে পরবর্তী কয়েকমাসে মেসার্স মিরহা এক্সেসরিজকে ৯৪২.০৬ মে. টন, মেসার্স তাম্মি এক্সেসরিজকে ৪০৭ মে. টন এবং গাজীপুরের মেসার্স এন.এম. এক্সেসরিজকে ১৭ মে. টন পিভিসি ফ্লেক্সের প্রাপ্যতা ও বর্ধিত প্রাপ্যতার অনুমোদন দেয়।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অনুমোদনটি দেওয়া হয় মেসার্স বি.এন প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিংকে, যার পূর্বের প্রাপ্যতা বাড়িয়ে ২৬/০১/২০২৬ তারিখে একলাফে ১,৮৩৬.৬৯ মেট্রিক টন পিভিসি ফ্লেক্স ও শীট আমদানির বিশাল লাইসেন্স দেওয়া হয়।
এনবিআরের অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থায় দায়েরকৃত একটি অভিযোগ এবং কাস্টমসের অভ্যন্তরীণ নথি (স্মারক নং-২২৭৩) অনুযায়ী, ঢাকা (দক্ষিণ) বন্ড কমিশনারেটের উপ কমিশনার ব্যারিস্টার পূরবী সাহা গত ০৮/০৪/২০২৬ তারিখে এই প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে ৬৯০ মেট্রিক টন পিভিসি ফ্লেক্সের অবৈধ বর্ধিত প্রাপ্যতা অনুমোদন করেন। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখা গত ১৮ জুন, ২০২৬ তারিখে এই চক্রের সর্বশেষ একটি চালান (বিল অব এন্ট্রি নং: সি ১০৯৯২৯৬) লক বা অবরুদ্ধ করলেও কাস্টমসের ভেতরের প্রভাবশালী চক্রটি তা ছেড়ে দেওয়ার জন্য তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আমদানি তথ্য পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে পিভিসি ফ্লেক্সের বাণিজ্যিক আমদানি কমেছে। উল্টোদিকে বন্ড সুবিধায় আমদানি বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে যেখানে দেশে আমদানি হওয়া পিভিসি ফ্লেক্সের অংশীদারত্ব ছিল মাত্র ৪ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্ডেড পণ্যের বাজারের অংশীদারত্ব বেড়ে ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ বাজারে আমদানি হওয়া পিভিসি ফ্লেক্সের অর্ধেক বন্ডেড সুবিধার পণ্য। আর বাজারে বন্ডেড সুবিধায় আমদানি হওয়া পণ্যের প্রায় পুরোটাই আসে কয়েকটি কোম্পানির মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মিরহা অ্যাক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রি, রেডিয়েন অ্যাক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রি, মাদার ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিজ এবং জে আর অ্যাক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ।
প্রশ্ন উঠেছে এতো বিপুল পরিমাণ পিভিসি ফ্লেক্স বন্ড সুবিধায় আমদানির পর তা যাচ্ছে কোথায়? যেখানে এনবিআর খোলা বাজারে পিভিসি ফ্লেক্স বিক্রি নিয়ে উদ্বিগ্ন, সেখানে এসব প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ পিভিসি ফ্লেক্স আমদানি সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়। বন্ড সুবিধায় আমদানিকৃত পণ্য খোলা বাজারে অবাধে বিক্রিতে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা, তেমনি শুল্ক হারাচ্ছে সরকার।
কাস্টমস আইনজ্ঞদের মতে, বন্ড সুবিধার এই সুনির্দিষ্ট অপব্যবহারের অপরাধে কাস্টমস অ্যাক্ট, ২০২৩ এবং সরকারি চাকরি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী কঠোর শাস্তির সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। অপরাধী আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর বন্ড লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বাতিল, বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (BIN) লক এবং ফাঁকি দেওয়া শুল্কের সমপরিমাণ বা তার দ্বিগুণ অর্থ জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিরুদ্ধে অ-জামিনযোগ্য ফৌজদারি চোরাচালান মামলা দায়েরের আইনও রয়েছে। একই সাথে, চোরাচালানে প্রত্যক্ষ সহায়তা ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনে জড়িত থাকার দায়ে কাস্টমস কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে স্থায়ী বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা দায়ের এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক তাঁদের অবৈধ সম্পত্তি ক্রোকসহ সর্বোচ্চ কারাদণ্ড দেওয়ার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব সুরক্ষার স্বার্থে এই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা এখন সময়ের দাবি।

31 October 2026

কাস্টমসের অসাধু সিন্ডিকেট: বন্ড সুবিধায় কোটি টাকার পিভিসি ফ্লেক্স জালিয়াতি

Spread the love
জনপ্রিয়
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত

এইচএসসি: সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাসের হার ৯৬.৫১ শতাংশ

কাস্টমসের অসাধু সিন্ডিকেট: বন্ড সুবিধায় কোটি টাকার পিভিসি ফ্লেক্স জালিয়াতি

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

তৈরি পোশাক ও সহযোগী এক্সেসরিজ খাতের প্রসারে আমদানিকৃত কাঁচামালে দেওয়া সরকারের শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধার ভয়াবহ অপব্যবহারের চিত্র ফুটে উঠেছে এক অনুসন্ধানে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা ও কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের একশ্রেণীর শীর্ষ কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে হাজার হাজার টন ‘পিভিসি ফ্লেক্স’ আমদানির অনুমোদন ও খালাসের সুযোগ করে দিয়েছে। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আনা এসব কাঁচামাল দিয়ে পণ্য তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো তা সরাসরি খোলাবাজারে বিক্রি করে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পিভিসি ফ্লেক্সের এই খোলাবাজারে অবৈধ বিক্রয় ও অপব্যবহার রোধে এনবিআর গত ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে এক জরুরি চিঠির (নথি নং-৩২৫) মাধ্যমে কড়া নজরদারির নির্দেশ জারি করে। কিন্তু কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা (দক্ষিণ) এই নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঠিক সেই একই দিনে (১৪/০৯/২০২৫) ফতুল্লার মেসার্স রেডিয়ান এক্সেসরিজকে ৮৬৭ মেট্রিক টন পিভিসি ফ্লেক্স ও লেদার আমদানির বার্ষিক কোটা অনুমোদন করে। ঢাকা (দক্ষিণ) ও ঢাকা (উত্তর) কমিশনারেট থেকে পরবর্তী কয়েকমাসে মেসার্স মিরহা এক্সেসরিজকে ৯৪২.০৬ মে. টন, মেসার্স তাম্মি এক্সেসরিজকে ৪০৭ মে. টন এবং গাজীপুরের মেসার্স এন.এম. এক্সেসরিজকে ১৭ মে. টন পিভিসি ফ্লেক্সের প্রাপ্যতা ও বর্ধিত প্রাপ্যতার অনুমোদন দেয়।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অনুমোদনটি দেওয়া হয় মেসার্স বি.এন প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিংকে, যার পূর্বের প্রাপ্যতা বাড়িয়ে ২৬/০১/২০২৬ তারিখে একলাফে ১,৮৩৬.৬৯ মেট্রিক টন পিভিসি ফ্লেক্স ও শীট আমদানির বিশাল লাইসেন্স দেওয়া হয়।
এনবিআরের অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থায় দায়েরকৃত একটি অভিযোগ এবং কাস্টমসের অভ্যন্তরীণ নথি (স্মারক নং-২২৭৩) অনুযায়ী, ঢাকা (দক্ষিণ) বন্ড কমিশনারেটের উপ কমিশনার ব্যারিস্টার পূরবী সাহা গত ০৮/০৪/২০২৬ তারিখে এই প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে ৬৯০ মেট্রিক টন পিভিসি ফ্লেক্সের অবৈধ বর্ধিত প্রাপ্যতা অনুমোদন করেন। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখা গত ১৮ জুন, ২০২৬ তারিখে এই চক্রের সর্বশেষ একটি চালান (বিল অব এন্ট্রি নং: সি ১০৯৯২৯৬) লক বা অবরুদ্ধ করলেও কাস্টমসের ভেতরের প্রভাবশালী চক্রটি তা ছেড়ে দেওয়ার জন্য তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আমদানি তথ্য পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে পিভিসি ফ্লেক্সের বাণিজ্যিক আমদানি কমেছে। উল্টোদিকে বন্ড সুবিধায় আমদানি বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে যেখানে দেশে আমদানি হওয়া পিভিসি ফ্লেক্সের অংশীদারত্ব ছিল মাত্র ৪ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্ডেড পণ্যের বাজারের অংশীদারত্ব বেড়ে ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ বাজারে আমদানি হওয়া পিভিসি ফ্লেক্সের অর্ধেক বন্ডেড সুবিধার পণ্য। আর বাজারে বন্ডেড সুবিধায় আমদানি হওয়া পণ্যের প্রায় পুরোটাই আসে কয়েকটি কোম্পানির মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মিরহা অ্যাক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রি, রেডিয়েন অ্যাক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রি, মাদার ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিজ এবং জে আর অ্যাক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ।
প্রশ্ন উঠেছে এতো বিপুল পরিমাণ পিভিসি ফ্লেক্স বন্ড সুবিধায় আমদানির পর তা যাচ্ছে কোথায়? যেখানে এনবিআর খোলা বাজারে পিভিসি ফ্লেক্স বিক্রি নিয়ে উদ্বিগ্ন, সেখানে এসব প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ পিভিসি ফ্লেক্স আমদানি সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়। বন্ড সুবিধায় আমদানিকৃত পণ্য খোলা বাজারে অবাধে বিক্রিতে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা, তেমনি শুল্ক হারাচ্ছে সরকার।
কাস্টমস আইনজ্ঞদের মতে, বন্ড সুবিধার এই সুনির্দিষ্ট অপব্যবহারের অপরাধে কাস্টমস অ্যাক্ট, ২০২৩ এবং সরকারি চাকরি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী কঠোর শাস্তির সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। অপরাধী আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর বন্ড লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বাতিল, বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (BIN) লক এবং ফাঁকি দেওয়া শুল্কের সমপরিমাণ বা তার দ্বিগুণ অর্থ জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিরুদ্ধে অ-জামিনযোগ্য ফৌজদারি চোরাচালান মামলা দায়েরের আইনও রয়েছে। একই সাথে, চোরাচালানে প্রত্যক্ষ সহায়তা ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনে জড়িত থাকার দায়ে কাস্টমস কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে স্থায়ী বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা দায়ের এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক তাঁদের অবৈধ সম্পত্তি ক্রোকসহ সর্বোচ্চ কারাদণ্ড দেওয়ার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব সুরক্ষার স্বার্থে এই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা এখন সময়ের দাবি।

31 October 2026

কাস্টমসের অসাধু সিন্ডিকেট: বন্ড সুবিধায় কোটি টাকার পিভিসি ফ্লেক্স জালিয়াতি

Spread the love