০২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিকল্প উৎস ও সরকারি উদ্যোগে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস

  • আপডেট সময় : ০১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 40

বিকল্প উৎস ও সরকারি উদ্যোগে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাসবিকল্প উৎস ও সরকারি উদ্যোগে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস

সরকারি উদ্যোগ এবং বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির কারণে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সোমবার রাজধানীর বিআইআইএসএস মিলনায়তনে ‘এনার্জি সিকিউরিটি ইন বাংলাদেশ: ফ্রম ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টু এ রেজিলেন্ট এনার্জি ট্রানজিশন’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

বক্তব্যে ড. তিতুমীর অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত অর্থনৈতিক সংকটে ভঙ্গুর ছিল এবং বিগত সরকারের অদূরদর্শী ও আমদানিনির্ভর নীতি দেশকে এক ধরনের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ফাঁদে ফেলে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সংকটের মাধ্যমে দেশের শিল্প খাত, বিনিয়োগ এবং জনগণের ওপর পরিকল্পিতভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে একটি টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ দেন তিনি।

জাতীয় পর্যায়ে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ইতোমধ্যে নতুন এলএনজি অবকাঠামো নির্মাণ, পাইপলাইন সম্প্রসারণ এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে গ্যাস আমদানি এবং ভিএলসি কার্গো ব্যবহারের মাধ্যমে খোলা বাজারে এলপিজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালে আনার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, শতভাগ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে, যা ২০২৭ সাল নাগাদ সম্পূর্ণ কার্যক্ষম হতে পারে।

উপদেষ্টা ড. তিতুমীর জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি নীতি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থ, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও স্থায়িত্ব বিবেচনা করে নেওয়া উচিত। সহজলভ্য ও নির্ভরযোগ্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নিশ্চিত করার পাশাপাশি এমন স্থিতিস্থাপক অবকাঠামো গড়তে হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করবে না। সেমিনারে বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান, এসটেক্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মনজুর আলমসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

13 September 2026

বিকল্প উৎস ও সরকারি উদ্যোগে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস

জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটি: প্রবীণ-নবীনের ভারসাম্যে থামল শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

বিকল্প উৎস ও সরকারি উদ্যোগে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস

আপডেট সময় : ০১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি উদ্যোগ এবং বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির কারণে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সোমবার রাজধানীর বিআইআইএসএস মিলনায়তনে ‘এনার্জি সিকিউরিটি ইন বাংলাদেশ: ফ্রম ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টু এ রেজিলেন্ট এনার্জি ট্রানজিশন’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

বক্তব্যে ড. তিতুমীর অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত অর্থনৈতিক সংকটে ভঙ্গুর ছিল এবং বিগত সরকারের অদূরদর্শী ও আমদানিনির্ভর নীতি দেশকে এক ধরনের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ফাঁদে ফেলে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সংকটের মাধ্যমে দেশের শিল্প খাত, বিনিয়োগ এবং জনগণের ওপর পরিকল্পিতভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে একটি টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ দেন তিনি।

জাতীয় পর্যায়ে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ইতোমধ্যে নতুন এলএনজি অবকাঠামো নির্মাণ, পাইপলাইন সম্প্রসারণ এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে গ্যাস আমদানি এবং ভিএলসি কার্গো ব্যবহারের মাধ্যমে খোলা বাজারে এলপিজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালে আনার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, শতভাগ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে, যা ২০২৭ সাল নাগাদ সম্পূর্ণ কার্যক্ষম হতে পারে।

উপদেষ্টা ড. তিতুমীর জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি নীতি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থ, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও স্থায়িত্ব বিবেচনা করে নেওয়া উচিত। সহজলভ্য ও নির্ভরযোগ্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নিশ্চিত করার পাশাপাশি এমন স্থিতিস্থাপক অবকাঠামো গড়তে হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করবে না। সেমিনারে বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান, এসটেক্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মনজুর আলমসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

13 September 2026

বিকল্প উৎস ও সরকারি উদ্যোগে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস