জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঝুলে গেছে।বিদায় বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা প্রকাশের পর প্রায় এক মাস ধরে থমকে আছে নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে সম্ভাব্য নেতাদের সংক্ষিপ্ত তালিকা পৌঁছানোর পাশাপাশি বিদায়ী শীর্ষ দুই নেতার সাথে আলোচনা সম্পন্ন হলেও মূল প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে—সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে তরুণদের নাকি লড়াকু অভিজ্ঞদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।
নীতিসংর্ধাকদের একাংশ ডাকসুসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনের দুর্বল ফলাফলের বিষয়টি মাথায় রেখে ‘জেন-জি’ প্রজন্মের সাথে তাল মেলাতে তরুণদের নেতৃত্বে আনার পক্ষে। অন্যদিকে, দীর্ঘ ১৫ বছরের মামলা-হামলা ও রাজপথের লড়াই সামলানো নেতাদের বাদ দিতে নারাজ অপর একটি পক্ষ। তাঁদের মতে, শিবিরের সাংগঠনিক কৌশল মোকাবিলায় অভিজ্ঞদের ভূমিকা অপরিসীম।
এই দুই মেরুর অবস্থানের কারণে বিএনপির হাইকম্যান্ড প্রবীণ ও নবীনের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ যৌথ নেতৃত্বের দিকে ঝুঁকছে, যেখানে শীর্ষ দুই পদের একটিতে প্রবীণ এবং অন্যটিতে নবীনদের রাখা হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক রাজপথের প্রভাব বজায় থাকলেও এবার ‘সিন্ডিকেট’ প্রভাবমুক্ত রাখা হচ্ছে প্রক্রিয়াটি। ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপির চেয়ারম্যানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগেই যেকোনো মুহূর্তে কাঙ্ক্ষিত এই পাঁচ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।






















