১০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘ স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 139

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘ স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা বহুল আলোচিত নিবন্ধ ‘ স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ এবং তাঁর তৎকালীন ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবি অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় এ প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানান, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতায় যার যতটুকু অবদান, তা নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরতেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। একই সাথে মূল গদ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্বে নয়—বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ জিয়াউর রহমান এবং তাজউদ্দীন আহমেদের অবদান রয়েছে।

বরেণ্য শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক একপাক্ষিক ইতিহাসের বাইরে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণার চাক্ষুষ স্মৃতি নিরপেক্ষভাবে জানার সুযোগ পাবে।

প্রবন্ধটিতে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহের সূচনা এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণার বাস্তব আলেখ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে জিয়াউর রহমান উল্লেখ করেন, ২৫শে মার্চের গণহত্যার পর নেতারা যখন সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলেন, তখন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে দেশপ্রেম থেকে তিনি জাতির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেন এবং চট্টগ্রামের ব্যারিকেড থেকে ঐতিহাসিক ‘উই রিভোল্ট’ বলে সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘোষণা করেন।

নিবন্ধে জিয়াউর রহমান স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, ২৬শে মার্চ গভীর রাতে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নকে একত্রিত করে স্বাধীনতার ডাক দেওয়া এবং ২৭শে মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে একটি এক্সারসাইজ খাতায় লিখে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করার কথা। ইথারে ভেসে আসা সেই ঘোষণার মধ্য দিয়েই বিশ্বমানচিত্রে ‘স্বাধীন বাংলাদেশ’ আত্মপ্রকাশ করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

31 October 2026

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘ স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

Spread the love
জনপ্রিয়
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত

এইচএসসি: সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাসের হার ৯৬.৫১ শতাংশ

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘ স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা বহুল আলোচিত নিবন্ধ ‘ স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ এবং তাঁর তৎকালীন ঐতিহাসিক ডায়েরির ছবি অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় এ প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানান, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতায় যার যতটুকু অবদান, তা নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরতেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। একই সাথে মূল গদ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্বে নয়—বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ জিয়াউর রহমান এবং তাজউদ্দীন আহমেদের অবদান রয়েছে।

বরেণ্য শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক একপাক্ষিক ইতিহাসের বাইরে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণার চাক্ষুষ স্মৃতি নিরপেক্ষভাবে জানার সুযোগ পাবে।

প্রবন্ধটিতে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহের সূচনা এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণার বাস্তব আলেখ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে জিয়াউর রহমান উল্লেখ করেন, ২৫শে মার্চের গণহত্যার পর নেতারা যখন সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলেন, তখন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে দেশপ্রেম থেকে তিনি জাতির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেন এবং চট্টগ্রামের ব্যারিকেড থেকে ঐতিহাসিক ‘উই রিভোল্ট’ বলে সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘোষণা করেন।

নিবন্ধে জিয়াউর রহমান স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, ২৬শে মার্চ গভীর রাতে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নকে একত্রিত করে স্বাধীনতার ডাক দেওয়া এবং ২৭শে মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে একটি এক্সারসাইজ খাতায় লিখে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করার কথা। ইথারে ভেসে আসা সেই ঘোষণার মধ্য দিয়েই বিশ্বমানচিত্রে ‘স্বাধীন বাংলাদেশ’ আত্মপ্রকাশ করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

31 October 2026

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘ স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

Spread the love