০৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাল বিতরণে কম মাপের অভিযোগ, দুমকীতে প্রশ্নবিদ্ধ তদারকি ব্যবস্থা ‎

চাল বিতরণে কম মাপের অভিযোগ, দুমকীতে প্রশ্নবিদ্ধ তদারকি ব্যবস্থা ‎

পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০ কেজির পরিবর্তে সুবিধাভোগীদের ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি করে চাল দেওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সুবিধাভোগী। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
‎
‎মঙ্গলবার(৮ সেপ্টেম্বর) সকালে লেবুখালী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জুলাই ও আগস্ট মাসের ভিজিডির চাল ৩৩৫ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে বিতরণ করা হয়। বিতরণের সময় কয়েকজন সুবিধাভোগীর চাল মেপে ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এ সময় বিতরণস্থলে সরকারি চালের খালি বস্তার স্তূপও দেখা যায়।
‎
‎সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ৫০ কেজির চালের বস্তা খুলে চাল অন্য বস্তায় নেওয়া হয়। পরে বালতি দিয়ে চাল পরিমাপ করায় নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় ৪ থেকে ৫ কেজি পর্যন্ত কম পড়ছে। নিয়মিত কম চাল পাওয়ার অভিযোগ করেছেন রুজিনা, কোহিনুর, সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি, রাহিমা বেগম, কাকলি বেগম, ফাতিমা বেগম, খাদিজা আক্তার, মরিয়ম বেগম ও বিউটি বেগমসহ একাধিক সুবিধাভোগী।
‎
‎তারা জানান, বিতরণের শুরুতে নির্ধারিত পরিমাণে চাল দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে আবারও চাল কম দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে বিতরণকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। সুবিধাভোগীদের দাবি, কর্মকর্তা কিছু সময় উপস্থিত থাকার পর বাইরে চলে যান এবং গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে তিনি পুনরায় সেখানে আসেন।
‎
‎তবে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লেবুখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, “চাল কম দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।
‎
‎উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, “আমি আসার আগে কী হয়েছে, তা জানি না। তবে আমি আসার পর কম দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বাইরে চাল মাপার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বাইরে চাল মাপার বিষয়টি আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। সেখানে কমবেশি হতে পারে।
‎
‎এদিকে ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সুবিধাভোগীরা অভিযোগটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
‎
‎এ বিষয়ে জানতে দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

31 October 2026

চাল বিতরণে কম মাপের অভিযোগ, দুমকীতে প্রশ্নবিদ্ধ তদারকি ব্যবস্থা ‎

Spread the love
জনপ্রিয়
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত

এইচএসসি: সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাসের হার ৯৬.৫১ শতাংশ

চাল বিতরণে কম মাপের অভিযোগ, দুমকীতে প্রশ্নবিদ্ধ তদারকি ব্যবস্থা ‎

আপডেট সময় : ১২:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০ কেজির পরিবর্তে সুবিধাভোগীদের ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি করে চাল দেওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সুবিধাভোগী। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
‎
‎মঙ্গলবার(৮ সেপ্টেম্বর) সকালে লেবুখালী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জুলাই ও আগস্ট মাসের ভিজিডির চাল ৩৩৫ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে বিতরণ করা হয়। বিতরণের সময় কয়েকজন সুবিধাভোগীর চাল মেপে ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এ সময় বিতরণস্থলে সরকারি চালের খালি বস্তার স্তূপও দেখা যায়।
‎
‎সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ৫০ কেজির চালের বস্তা খুলে চাল অন্য বস্তায় নেওয়া হয়। পরে বালতি দিয়ে চাল পরিমাপ করায় নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় ৪ থেকে ৫ কেজি পর্যন্ত কম পড়ছে। নিয়মিত কম চাল পাওয়ার অভিযোগ করেছেন রুজিনা, কোহিনুর, সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি, রাহিমা বেগম, কাকলি বেগম, ফাতিমা বেগম, খাদিজা আক্তার, মরিয়ম বেগম ও বিউটি বেগমসহ একাধিক সুবিধাভোগী।
‎
‎তারা জানান, বিতরণের শুরুতে নির্ধারিত পরিমাণে চাল দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে আবারও চাল কম দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে বিতরণকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। সুবিধাভোগীদের দাবি, কর্মকর্তা কিছু সময় উপস্থিত থাকার পর বাইরে চলে যান এবং গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে তিনি পুনরায় সেখানে আসেন।
‎
‎তবে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লেবুখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, “চাল কম দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।
‎
‎উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, “আমি আসার আগে কী হয়েছে, তা জানি না। তবে আমি আসার পর কম দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বাইরে চাল মাপার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বাইরে চাল মাপার বিষয়টি আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। সেখানে কমবেশি হতে পারে।
‎
‎এদিকে ভিজিডির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সুবিধাভোগীরা অভিযোগটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
‎
‎এ বিষয়ে জানতে দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

31 October 2026

চাল বিতরণে কম মাপের অভিযোগ, দুমকীতে প্রশ্নবিদ্ধ তদারকি ব্যবস্থা ‎

Spread the love