দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ কার্যকর হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) এই নতুন প্রবিধানমালার আওতায় রাস্তার পাশের পিঠা ও পুরি-পেঁয়াজুর দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী, আমদানিকারক ও কোল্ড স্টোরেজসহ নির্দিষ্ট শ্রেণির সব খাদ্য ব্যবসার জন্য নিবন্ধন এবং বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রবিধানমালায় উল্লিখিত প্রচলিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হলেও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আয়তন অনুযায়ী প্রিমিসেস লাইসেন্স ফি ১০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উৎপাদিত পণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএ-এর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক, যা তিন বছর পর পর নবায়ন করতে হবে। এতে ভোক্তা সহজে উৎপাদক শনাক্ত ও প্রয়োজন হলে অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন। সাধারণ ব্যবসার পাশাপাশি শিশু খাদ্য, বয়স্ক বা রোগীদের জন্য তৈরি বিশেষ খাদ্য, সম্পূরক খাদ্য এবং জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত খাবারের জন্য অতিরিক্ত লাইসেন্স ও অনুমোদন নিশ্চিত করতে হবে। জেলা কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে পরবর্তীতে শতভাগ অনলাইনে এই আবেদন গ্রহণ চালু করা হবে। নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।























