০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশনের অভাব: ঝিনাই ও সূবর্ণখালী নদীর অস্তিত্ব সংকটে জনস্বাস্থ্য

  • আপডেট সময় : ০৪:০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • 15

প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশনের অভাব: ঝিনাই ও সূবর্ণখালী নদীর অস্তিত্ব সংকটে জনস্বাস্থ্য

১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভা প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পাওয়ার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো গড়ে ওঠেনি কোনো স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন। ২১ দশমিক ১০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ৯টি ওয়ার্ড ও ৩৪টি মহল্লা নিয়ে গঠিত এই পৌরসভার প্রায় ৬০ হাজার মানুষ মৌলিক এই অবকাঠামোর অভাবে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

ডাম্পিং স্টেশনের অভাবে পৌরসভার সংগ্রহ করা প্রতিদিনের গৃহস্থালি ও বাজারজাত বর্জ্য যত্রতত্র খোলা জায়গায়, প্রধান সড়ক এবং ঝিনাই ও সূবর্ণখালী নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। নদীর তীরে বর্জ্যের বিশাল পাহাড় গড়ে ওঠায় এবং ড্রেনের দূষিত পানি সরাসরি নদীতে পড়ায় পানি ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এর ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া ছাড়াও মরছে মাছ এবং পানিবাহিত নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ায় নদীপারের মানুষের জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে বর্জ্য রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে এবং ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও টাইফয়েডের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে।

জেলা পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম এই অবৈধ ময়লা ফেলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিজা রিছিল জানিয়েছেন যে বিষয়টি তাদের জানা রয়েছে এবং নদীর তীরে ময়লা ফেলা বন্ধে ও স্যানিটারি ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

27 October 2026

প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশনের অভাব: ঝিনাই ও সূবর্ণখালী নদীর অস্তিত্ব সংকটে জনস্বাস্থ্য

Spread the love
জনপ্রিয়

শ্যামলীর শিশুমেলার সামনে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে একজন গ্রেফতার

প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশনের অভাব: ঝিনাই ও সূবর্ণখালী নদীর অস্তিত্ব সংকটে জনস্বাস্থ্য

আপডেট সময় : ০৪:০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভা প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পাওয়ার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো গড়ে ওঠেনি কোনো স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন। ২১ দশমিক ১০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ৯টি ওয়ার্ড ও ৩৪টি মহল্লা নিয়ে গঠিত এই পৌরসভার প্রায় ৬০ হাজার মানুষ মৌলিক এই অবকাঠামোর অভাবে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

ডাম্পিং স্টেশনের অভাবে পৌরসভার সংগ্রহ করা প্রতিদিনের গৃহস্থালি ও বাজারজাত বর্জ্য যত্রতত্র খোলা জায়গায়, প্রধান সড়ক এবং ঝিনাই ও সূবর্ণখালী নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। নদীর তীরে বর্জ্যের বিশাল পাহাড় গড়ে ওঠায় এবং ড্রেনের দূষিত পানি সরাসরি নদীতে পড়ায় পানি ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এর ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া ছাড়াও মরছে মাছ এবং পানিবাহিত নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ায় নদীপারের মানুষের জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে বর্জ্য রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে এবং ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও টাইফয়েডের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে।

জেলা পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম এই অবৈধ ময়লা ফেলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিজা রিছিল জানিয়েছেন যে বিষয়টি তাদের জানা রয়েছে এবং নদীর তীরে ময়লা ফেলা বন্ধে ও স্যানিটারি ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

27 October 2026

প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশনের অভাব: ঝিনাই ও সূবর্ণখালী নদীর অস্তিত্ব সংকটে জনস্বাস্থ্য

Spread the love