চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে আবেদনকারীদের নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইট (rescrutiny.eduboardresults.gov.bd) থেকেও ফল দেখতে পারছেন। প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, পুনঃনিরীক্ষণের পর সারাদেশে মোট ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন এবং নতুন করে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া আরও অসংখ্য শিক্ষার্থীর বিভিন্ন বিষয়ে নম্বর ও গ্রেডে পরিবর্তন এসেছে।
গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ ১৭ আগস্ট পর্যন্ত পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হয়। মূল ফল প্রকাশের ৩১ দিন এবং আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ২৪ দিন পর এ ফল প্রকাশ করা হলো। এবারই প্রথমবারের মতো উত্তরপত্র শুধু পুনঃনিরীক্ষণ নয়, বরং নতুন নিয়মে পুনরায় মূল্যায়নও করা হয়েছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, আগে কেবল উত্তরপত্রের নম্বর গণনায় ভুল ছিল কিনা তা যাচাই করা হতো, তবে এবার শিক্ষার্থীদের আবেদন করা উত্তরপত্রগুলো পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়েছে।
এ বছর এসএসসি ও সমমানের ফলাফলে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছিল। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৪ লাখ ২ ৫১ জন পরীক্ষার্থী খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেন। একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ে আবেদনের সুযোগ পাওয়ায় মোট লিখিত পরীক্ষার ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টিসহ সর্বমোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্রের জন্য আবেদন জমা পড়ে। বোর্ডভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন।























