মৎস্য অধিদপ্তর যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার ২৯টি বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্যে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে। তবে অবাক করার বিষয় হলো, এই প্রকল্পের মূল কাজ মাছের পোনা কেনার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা (মোট বরাদ্দের মাত্র ৬.১০%), অথচ সেই পোনা বাঁওড়ে ছাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খাতেই ধরা হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা! সহজ কথায়, ১ টাকার পোনা কেনার বিপরীতে অন্যান্য খাতে খরচ প্রস্তাব করা হয়েছে প্রায় ১৫ টাকা, যা মোট ব্যয়ের তুলনায় ১৫ গুণ বেশি।
পরিকল্পনা কমিশন এই অস্বাভাবিক ও অসংগতিপূর্ণ ব্যয় নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। বিশেষ করে প্রতিটি কম্পিউটার গড়ে ২ লাখ টাকা করে ৪টি কম্পিউটারের জন্য ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ, উচ্চমূল্যের এসি, ফটোকপি মেশিন কেনা, অফিস ভাড়া এবং সভা-সেমিনারের অতিরিক্ত খরচ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তা ছাড়া, বর্তমানে বাঁওড়গুলোতে কত মাছ উৎপাদিত হয়, ১০% উৎপাদন বৃদ্ধির ভিত্তির হিসাব এবং ৫ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের ৬টি পদের জনবলের স্পষ্ট কাজের বিবরণ ও বেতন-ভাতার হিসাব ডিপিপিতে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।























