উচ্চ শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য—বিশেষত অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সংগ্রহ ও বিক্রয়ের সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ‘কিংফিশার রেস্টুরেন্ট লিমিটেড’-এ (Kingfisher Restaurant Ltd.) এক বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ২৫ অক্টোবর ২০২৬ দিবাগত রাত ১২:৩০ ঘটিকায় গুলশান-২-এর ৪৫ নম্বর রোডের ৩৩ নম্বর প্লটে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির গ্রাউন্ড, থার্ড ও ফোর্থ ফ্লোরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটির বিন (BIN) নম্বর ০০৩৭২১৬৮১-০১০১ এবং টিআইএন (TIN) নম্বর ৬৫২৩৫৪২৯৯৯২২। অবৈধ উৎস ও চোরাচালানের মাধ্যমে সংগৃহীত অ্যালকোহল মজুদ শনাক্তকরণ, ভ্যাট ফাঁকি প্রতিরোধ, আয়কর নথিতে বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রদর্শন না করা এবং মানি লন্ডারিংয়ের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না—তা যাচাই করাই ছিল এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সরাসরি নির্দেশনায় এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (CIID) সার্বিক তত্ত্বাবধানে এনবিআরের চারটি প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। দলটিতে যুক্ত ছিল সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (CIC), কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (CIID), আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (TIIU) এবং মূল্য সংযোজন কর নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (VAIID)। অভিযানটি কাস্টমস আইন ২০২৩, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২, ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা ২০১৬ এবং আয়কর আইন ২০২৩-এর সংলগ্ন বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে প্রদত্ত আইনি ক্ষমতাবলে পরিচালিত হয়।
প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী পরিচালিত এই যৌথ অভিযানে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় আটক করা হয়। অভিযানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (SRB-1)। আটককৃত পণ্যের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ, সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির হিসাব এবং আইনানুগ পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে শিগগিরই এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো হবে।






















