২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জয় দিয়ে নিজেদের অভিযান শুরু করেছে ঘানা। দীর্ঘ সময় গোলশূন্য থাকার পর ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে, যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ক্যালেব ইয়েরেঙ্কির নাটকীয় গোলে পানামাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে দলটি। পুরো ম্যাচজুড়ে দুই দলের কেউই তেমন কোনো পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে না পারায় যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছে, ঠিক তখনই আসে সেই ফল নির্ধারণী মুহূর্ত। বাম দিক থেকে দারুণ এক একক প্রচেষ্টায় পানামার ডিফেন্ডার হোসে কর্দোবাকে কাটিয়ে একটি নিখুঁত ক্রস বাড়ান ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে, আর সেই বল থেকেই কাছ থেকে লক্ষ্যভেদ করে ঘানাকে কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দেন ক্যালেব ইয়েরেঙ্কি।
এই নাটকীয় গোলের পর ঘানার খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম; এমনকি মাত্র এপ্রিল মাসে দায়িত্ব নেওয়া দলটির প্রধান কোচ কার্লোস কুইরোজও আনন্দে মাঠে দৌড়ে প্রবেশ করেন। অন্যদিকে একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে হতাশায় ভেঙে পড়ে পানামা শিবির। ম্যাচ বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে কর্নার কিকের সময় নিজেদের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো মস্কেরাকেও প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে পাঠায় পানামা এবং তার হেড থেকে বক্সে এক হুলস্থুল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে ঘানার বদলি গোলরক্ষক বেনজামিন আসারে দারুণভাবে বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন। ঘানার বিখ্যাত ‘রাইট টু ড্রিম একাডেমি’ থেকে উঠে আসা এবং সাবেক তারকা মাইকেল এসিয়েনের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত এই ম্যাচের নায়ক ইয়েরেঙ্কি বর্তমানে ডেনমার্কের ক্লাব নরশেল্যান্ডে খেলছেন, যার এই মহামূল্যবান গোলটি বিশ্বকাপে ঘানাকে এনে দিল পূর্ণ তিন পয়েন্ট।























