পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় মহিষের ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে বাবা ও ছেলেকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার(২৫ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে নুর আলম হাওলাদার ও তাঁর ছেলে আবু সালেহ (৩০) আহত হয়েছেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
স্থানীয় সূত্র ও আহত ব্যক্তিদের স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত থাকার পর সুস্থ হয়ে আবু সালেহ তাঁর বাবা নুর আলম হাওলাদারের সঙ্গে মাঠে মহিষ বাঁধতে যান। এ সময় মহিষের জন্য ঘাস কাটতে শুরু করলে তাঁর চাচাতো ভাই আবদুল্লাহ ও আসাদুল এবং চাচা হাবিব হাওলাদার ও আবুল বাসারসহ কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁরা আবু সালেহ ও তাঁর বাবার ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্বজনদের অভিযোগ, আবু সালেহকে রক্ষা করতে তাঁর বাবা এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতেও তাঁরা আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। হামলায় দুজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন অভিযুক্ত হাবিব হাওলাদার। তাঁর ভাষ্য, মহিষ তাঁদের ধানের বীজ খেয়ে ফেলায় দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। নুর আলমকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, ঘাস কাটার কাঁচির আঘাতে আবু সালেহ আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






















