০৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইলিয়াস আলী গুমে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ: চিফ প্রসিকিউটর

  • আপডেট সময় : ০৫:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • 38

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপির সাবেক নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। রবিবার ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, তদন্ত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এদিকে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার অধীনস্থ ছিলেন এমন এক সাবেক কর্মকর্তা। জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল র‍্যাব সদরদপ্তর থেকে জিয়াউল আহসান, মেজর নওশাদ ও সাইফসহ মহাখালী ফ্লাইওভারের এলাকায় যান এবং সেখানে একটি ‘টার্গেট’-এর অপেক্ষা করা হচ্ছিল। পরে ছুটিতে থাকাকালে তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে ১৮ এপ্রিল ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পারেন।

সাক্ষীর ভাষ্য অনুযায়ী, ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে তিনি র‍্যাব সদরদপ্তরে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি লক্ষ্য করেন। একদিন জিয়াউল আহসানকে ফোনে কথোপকথনের সময় ইলিয়াস আলীকে ‘গলফ’ (গুম) করার প্রসঙ্গ উল্লেখ করতে শোনেন বলেও তিনি দাবি করেন। এছাড়া, ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর র‍্যাব সদরদপ্তরের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ ধ্বংস করা হয়েছিল বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়।

রবিবার সকালে এ মামলার একমাত্র আসামি মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তার উপস্থিতিতেই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য, সাক্ষীর জবানবন্দিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলো বিচারাধীন মামলার অংশ এবং সেগুলোর বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় এখনো হয়নি।

15 September 2026

ইলিয়াস আলী গুমে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ: চিফ প্রসিকিউটর

জনপ্রিয়

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এজিএম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাবেক নারী কর্মীর শ্লীলতাহানির মামলা

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

ইলিয়াস আলী গুমে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৫:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপির সাবেক নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। রবিবার ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, তদন্ত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এদিকে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার অধীনস্থ ছিলেন এমন এক সাবেক কর্মকর্তা। জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল র‍্যাব সদরদপ্তর থেকে জিয়াউল আহসান, মেজর নওশাদ ও সাইফসহ মহাখালী ফ্লাইওভারের এলাকায় যান এবং সেখানে একটি ‘টার্গেট’-এর অপেক্ষা করা হচ্ছিল। পরে ছুটিতে থাকাকালে তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে ১৮ এপ্রিল ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পারেন।

সাক্ষীর ভাষ্য অনুযায়ী, ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে তিনি র‍্যাব সদরদপ্তরে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি লক্ষ্য করেন। একদিন জিয়াউল আহসানকে ফোনে কথোপকথনের সময় ইলিয়াস আলীকে ‘গলফ’ (গুম) করার প্রসঙ্গ উল্লেখ করতে শোনেন বলেও তিনি দাবি করেন। এছাড়া, ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর র‍্যাব সদরদপ্তরের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ ধ্বংস করা হয়েছিল বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়।

রবিবার সকালে এ মামলার একমাত্র আসামি মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তার উপস্থিতিতেই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য, সাক্ষীর জবানবন্দিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলো বিচারাধীন মামলার অংশ এবং সেগুলোর বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় এখনো হয়নি।

15 September 2026

ইলিয়াস আলী গুমে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ: চিফ প্রসিকিউটর