নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ছাদে হাঁস, মুরগি, কবুতর ও ছাগলের খামার গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে কর্মরত ফার্মাসিস্ট পলাশ চন্দ্রের বিরুদ্ধে। এতে কেন্দ্রের পরিবেশ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং ভবনটির চারপাশে জঙ্গল ও ময়লা জমে এটি এক পরিত্যক্ত ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মূল গেটটি সবসময় বন্ধ রাখা হয়। সরকারি নিয়মে সপ্তাহে ছয় দিন খোলা রাখার কথা থাকলেও কেন্দ্রটি সপ্তাহে মাত্র তিন দিন (তাও দুপুর ১টার পর) খোলা থাকে। ফলে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন। ফার্মাসিস্ট পলাশ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার চেয়ে পশু-পাখি লালন-পালনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন এবং ভবনের মেঝে ও ছাদে বিষ্ঠা ও দুর্গন্ধের কারণে পরিবেশ নোংরা হয়ে পড়েছে। একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি নিজের প্রভাবেই পশুপালন চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তাকদীরুল আহসান সোহেল।
অভিযোগের বিষয়ে ফার্মাসিস্ট পলাশ চন্দ্র জানান, তিনি ব্যবসার জন্য নয়, বরং নিজের পরিবারের খাওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই এসব পালন করছেন।
অন্যদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তবিবুর রহমান এবং নীলফামারী পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আল কামাল জানান, বিষয়টি পরিদর্শন করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বী এ ঘটনাকে স্বাস্থ্যঝুঁকি উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।























