পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার সরকারি জনতা কলেজ মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে মেশিনগানের একটি কার্তুজ(বুলেট) পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কার্তুজটি প্রথমে খেলনা মনে করে বাড়িতে নিয়ে যায় নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। পরে বিষয়টি স্থানীয় এক বড় ভাইয়ের নজরে এলে ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে কার্তুজটি উদ্ধার করে দুমকি থানা পুলিশ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরকারি জনতা কলেজ মাঠে ফুটবল খেলছিল নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম জিদান। খেলার সময় বল আনতে গিয়ে মাঠের একটি গাছের নিচে ইটের ফাঁকে তামার মতো দেখতে একটি বস্তু দেখতে পায় সে। অপরিচিত বস্তুটি খেলনা ভেবে বাড়িতে নিয়ে যায় জিদান।
পরদিন রবিবার স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের বস্তুটি দেখায় জিদান। একপর্যায়ে টিফিনের সময় স্থানীয় বড় ভাই জিহাদ হোসাইনের কাছে সেটি দেখানো হলে তিনি বস্তুটি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে কোনো ঝুঁকি না নিয়ে তাৎক্ষণিক ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে বিষয়টি জানান তিনি। খবর পেয়ে দুমকি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কার্তুজটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে এটি মেশিনগানের কার্তুজ বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে কার্তুজটি কলেজ মাঠের গাছের নিচে ইটের ফাঁকে কীভাবে এলো, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম জিদান বলেন, ‘ফুটবল খেলার সময় বল আনতে গিয়ে গাছের নিচে ইটের ফাঁকে তামার মতো একটি বস্তু দেখতে পাই। খেলনা মনে করে সেটি বাড়িতে নিয়ে যাই। পরদিন বন্ধুদের দেখানোর পর জিহাদ হোসাইন ভাইকে দেখালে তিনি পুলিশকে খবর দেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কার্তুজটি(বুলেট) উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি মেশিনগানের কার্তুজ বলে জানা গেছে। এটি কীভাবে এখানে এলো, এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
কার্তুজটি কোথা থেকে এসেছে এবং কলেজ চত্বরে এটি পড়ে থাকার পেছনে কোনো ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।






















