০৪:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পূর্ব বিরোধের জেরে ২৫০ টি হাস বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার অভিযোগ

পূর্ব বিরোধের জেরে ২৫০ টি হাস বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার অভিযোগ

বরগুনার তালতলীতে আড়াই শতাধিক (২৫০) হাস বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের কড়ইবাড়িয়া গ্রামে মোঃ মতি মৃধার হাসের খামারে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, মতি মৃধা গং দের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আঃ হাই ফরাজি গং দের সাথে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
আমতলী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে আসেন মতি মৃধাগং রা।
আদালতে আসার পরে আঃ হাই ফরাজির ছেলে মিরাজ ফরাজি সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে
কৌশলে পাশের ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগ করে রেখে। পরে, পুকুরে থাকা হাস গুলোকে উন্মুক্ত করে দেয় চারপাশে থাকা নেট জাল সরিয়ে। বিষের তিব্রতা ছড়িয়ে পরলে একেএকে মারা পরে কৃষক মতি মৃধার আড়াই শতাধিক হাস (২৫০) যার বাজার দর আনুমানিক দেড় লক্ষ টাকার মতো। এ ঘটনার সাথে জড়িত আঃ হাই ফরাজি (৬০), মিরাজ ফরাজি(২৮) ও জাকির মৃধার(৫৫) বিচার চেয়ে তালতলী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ভুক্তভোগী মতি মৃধা বলেন, আমাদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে আবদুল হাই ফরাজি গং দের সাথে সেই সুবাদে আমতলী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে গেলে বাড়ি থেকে জানানো হয় তাদের পুকুরে থাকা ২৫০ টি হাসকে বিষ দিয়ে হত্যা করা করেছে। আমি এর বিচার চাই প্রশাসনের কাছে।
ভুক্তভোগী মতি মৃধার সহধর্মিণী পারুল বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমি কিস্তি উঠিয়ে হাসের খামার করেছি। ওরা আমার সব হাসগুলোকে মেরে ফেলেছে। আমরা এর বিচার চাই।

প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী শিরিনা বেগম জানায়, তাদের হাসের ফার্মের হাস গুলো বিষ খাওয়ানোর পরে মারা যায়। হাস মারা যাওয়ার আগে মিরাজ ফরাজিকে ওই পুকুরের পাশে ঘুরঘুর করতে দেখা গেছে।

অভিযুক্ত আঃ হাই ফরাজির কাছে মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের সাথে বিরোধ আছে সেটা সত্য। হাস মারা যাওয়ার আগের দিন জাকির মৃধা সবাইকে বলেছে ক্ষেতে ঔষধ দিবো, তিনি সকালে ক্ষেতে ঔষধ দেন। ঐদিন সকালে মতি মৃধার হাসগুকে ছেড়ে দেন এবং ছেড়ে দেয়ায় কিছু সংখ্যক হাস মারা গেছে।

এ ব্যাপারে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুল ইসলাম জানায়, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্তাধীন অবস্থায় আছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

10 October 2026

পূর্ব বিরোধের জেরে ২৫০ টি হাস বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার অভিযোগ

Spread the love
জনপ্রিয়

রূপনগর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মিঠু আটক

পূর্ব বিরোধের জেরে ২৫০ টি হাস বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

বরগুনার তালতলীতে আড়াই শতাধিক (২৫০) হাস বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের কড়ইবাড়িয়া গ্রামে মোঃ মতি মৃধার হাসের খামারে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, মতি মৃধা গং দের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আঃ হাই ফরাজি গং দের সাথে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
আমতলী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে আসেন মতি মৃধাগং রা।
আদালতে আসার পরে আঃ হাই ফরাজির ছেলে মিরাজ ফরাজি সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে
কৌশলে পাশের ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগ করে রেখে। পরে, পুকুরে থাকা হাস গুলোকে উন্মুক্ত করে দেয় চারপাশে থাকা নেট জাল সরিয়ে। বিষের তিব্রতা ছড়িয়ে পরলে একেএকে মারা পরে কৃষক মতি মৃধার আড়াই শতাধিক হাস (২৫০) যার বাজার দর আনুমানিক দেড় লক্ষ টাকার মতো। এ ঘটনার সাথে জড়িত আঃ হাই ফরাজি (৬০), মিরাজ ফরাজি(২৮) ও জাকির মৃধার(৫৫) বিচার চেয়ে তালতলী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ভুক্তভোগী মতি মৃধা বলেন, আমাদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে আবদুল হাই ফরাজি গং দের সাথে সেই সুবাদে আমতলী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে গেলে বাড়ি থেকে জানানো হয় তাদের পুকুরে থাকা ২৫০ টি হাসকে বিষ দিয়ে হত্যা করা করেছে। আমি এর বিচার চাই প্রশাসনের কাছে।
ভুক্তভোগী মতি মৃধার সহধর্মিণী পারুল বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমি কিস্তি উঠিয়ে হাসের খামার করেছি। ওরা আমার সব হাসগুলোকে মেরে ফেলেছে। আমরা এর বিচার চাই।

প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী শিরিনা বেগম জানায়, তাদের হাসের ফার্মের হাস গুলো বিষ খাওয়ানোর পরে মারা যায়। হাস মারা যাওয়ার আগে মিরাজ ফরাজিকে ওই পুকুরের পাশে ঘুরঘুর করতে দেখা গেছে।

অভিযুক্ত আঃ হাই ফরাজির কাছে মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের সাথে বিরোধ আছে সেটা সত্য। হাস মারা যাওয়ার আগের দিন জাকির মৃধা সবাইকে বলেছে ক্ষেতে ঔষধ দিবো, তিনি সকালে ক্ষেতে ঔষধ দেন। ঐদিন সকালে মতি মৃধার হাসগুকে ছেড়ে দেন এবং ছেড়ে দেয়ায় কিছু সংখ্যক হাস মারা গেছে।

এ ব্যাপারে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুল ইসলাম জানায়, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্তাধীন অবস্থায় আছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

10 October 2026

পূর্ব বিরোধের জেরে ২৫০ টি হাস বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার অভিযোগ

Spread the love