০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে পরিবহন ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • 52

নীলফামারী জেলার পরিবহন খাতে অবৈধ চাঁদাবাজি, অনুমোদনহীন উপ-কমিটি গঠন এবং সাধারণ শ্রমিকদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১১টায় সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এই কর্মসূচির আয়োজন করে নীলফামারী জেলা বাস-ট্রাক-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং-২২০)। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পরিবহন শ্রমিক ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই মানববন্ধনে অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, একটি পক্ষ অবৈধভাবে 'নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন' (রেজি নং-৩৪৪৬) নামের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন বাস কাউন্টার, স্ট্যান্ড ও রুটে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে। একই সাথে অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন উপজেলায় উপ-কমিটি গঠন করে শ্রমিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং প্রতিবাদী শ্রমিকদের মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর ফলে জেলার পুরো পরিবহন খাতে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে যেকোনো সময় পরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংগঠনটির নেতারা জানান, এ বিষয়ে তারা এর আগেও শ্রম পরিচালক ও রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ, ১৭ মে এবং ৭ জুলাই পৃথক অভিযোগ জমা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করেন, বৈধ সংগঠনের কার্যক্রমে বাধা দিয়ে একটি পক্ষ সাধারণ শ্রমিকদের বিভ্রান্ত করছে এবং বিভিন্ন এলাকায় জোরপূর্বক চাঁদা তুলছে। বাধা দিলে শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে। লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৫ জুলাই কিশোরগঞ্জ উপজেলায় একই কারণে পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হয়। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে আবারও সেখানে অবৈধ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া সৈয়দপুরে একটি বাস কাউন্টারকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মারধর ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা শ্রমিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, নীলফামারীর আটটি উপজেলার ওপর দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। বর্তমান সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে সাধারণ জনগণের চরম ভোগান্তির পাশাপাশি পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানানো হয়। প্রশাসন যদি দ্রুত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে আগামীতে জেলাব্যাপী কঠোর কর্মসূচি এবং পরিবহন ধর্মঘটের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত শ্রমিক নেতারা।

নীলফামারী জেলার পরিবহন খাতে অবৈধ চাঁদাবাজি, অনুমোদনহীন উপ-কমিটি গঠন এবং সাধারণ শ্রমিকদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১১টায় সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এই কর্মসূচির আয়োজন করে নীলফামারী জেলা বাস-ট্রাক-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং-২২০)। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পরিবহন শ্রমিক ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই মানববন্ধনে অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, একটি পক্ষ অবৈধভাবে ‘নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন’ (রেজি নং-৩৪৪৬) নামের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন বাস কাউন্টার, স্ট্যান্ড ও রুটে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে। একই সাথে অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন উপজেলায় উপ-কমিটি গঠন করে শ্রমিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং প্রতিবাদী শ্রমিকদের মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর ফলে জেলার পুরো পরিবহন খাতে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে যেকোনো সময় পরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংগঠনটির নেতারা জানান, এ বিষয়ে তারা এর আগেও শ্রম পরিচালক ও রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ, ১৭ মে এবং ৭ জুলাই পৃথক অভিযোগ জমা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করেন, বৈধ সংগঠনের কার্যক্রমে বাধা দিয়ে একটি পক্ষ সাধারণ শ্রমিকদের বিভ্রান্ত করছে এবং বিভিন্ন এলাকায় জোরপূর্বক চাঁদা তুলছে। বাধা দিলে শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে। লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৫ জুলাই কিশোরগঞ্জ উপজেলায় একই কারণে পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হয়। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে আবারও সেখানে অবৈধ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া সৈয়দপুরে একটি বাস কাউন্টারকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মারধর ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা শ্রমিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, নীলফামারীর আটটি উপজেলার ওপর দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। বর্তমান সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে সাধারণ জনগণের চরম ভোগান্তির পাশাপাশি পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানানো হয়। প্রশাসন যদি দ্রুত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে আগামীতে জেলাব্যাপী কঠোর কর্মসূচি এবং পরিবহন ধর্মঘটের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত শ্রমিক নেতারা।

1 October 2026

নীলফামারীতে পরিবহন ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

Spread the love
জনপ্রিয়

আনসার বাহিনীর আইনি কাঠামো ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ

নীলফামারীতে পরিবহন ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

নীলফামারী জেলার পরিবহন খাতে অবৈধ চাঁদাবাজি, অনুমোদনহীন উপ-কমিটি গঠন এবং সাধারণ শ্রমিকদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১১টায় সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এই কর্মসূচির আয়োজন করে নীলফামারী জেলা বাস-ট্রাক-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং-২২০)। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পরিবহন শ্রমিক ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই মানববন্ধনে অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, একটি পক্ষ অবৈধভাবে ‘নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন’ (রেজি নং-৩৪৪৬) নামের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন বাস কাউন্টার, স্ট্যান্ড ও রুটে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে। একই সাথে অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন উপজেলায় উপ-কমিটি গঠন করে শ্রমিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং প্রতিবাদী শ্রমিকদের মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর ফলে জেলার পুরো পরিবহন খাতে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে যেকোনো সময় পরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংগঠনটির নেতারা জানান, এ বিষয়ে তারা এর আগেও শ্রম পরিচালক ও রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ, ১৭ মে এবং ৭ জুলাই পৃথক অভিযোগ জমা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করেন, বৈধ সংগঠনের কার্যক্রমে বাধা দিয়ে একটি পক্ষ সাধারণ শ্রমিকদের বিভ্রান্ত করছে এবং বিভিন্ন এলাকায় জোরপূর্বক চাঁদা তুলছে। বাধা দিলে শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে। লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৫ জুলাই কিশোরগঞ্জ উপজেলায় একই কারণে পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হয়। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে আবারও সেখানে অবৈধ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া সৈয়দপুরে একটি বাস কাউন্টারকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মারধর ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা শ্রমিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, নীলফামারীর আটটি উপজেলার ওপর দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। বর্তমান সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে সাধারণ জনগণের চরম ভোগান্তির পাশাপাশি পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানানো হয়। প্রশাসন যদি দ্রুত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে আগামীতে জেলাব্যাপী কঠোর কর্মসূচি এবং পরিবহন ধর্মঘটের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত শ্রমিক নেতারা।

1 October 2026

নীলফামারীতে পরিবহন ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

Spread the love