অবশেষে অবসান হলো নেইমার জুনিয়র এবং তার কোটি ভক্তদের দীর্ঘ ও কষ্টকর অপেক্ষার। ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর গুরুতর চোটের কবলে পড়ে মাঠের বাইরে ছিটকে গিয়েছিলেন ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড। পরবর্তীতে ক্লাব ফুটবলে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করে ফিরলেও, জাতীয় দলের বিখ্যাত হলুদ জার্সিটি পুনরায় গায়ে জড়ানোর অপেক্ষাটা যেন শেষই হচ্ছিল না। একের পর এক চোটের ধাক্কা সামলে ওঠার কঠিন লড়াই শেষে ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করেন। তবে দলে ফিরলেও শুরুর দুটি ম্যাচে তাকে সাইডবেঞ্চেই বসে কাটাতে হয়েছিল।
সময়ের হিসেবে দীর্ঘ ৯৮১ দিন ব্রাজিল জাতীয় দলের মাঠের লড়াই থেকে দূরে ছিলেন দেশটির ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ (৭৯ গোল) এই গোলদাতা। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নামার জন্য অধীর আগ্রহে ৭৫ মিনিট পর্যন্ত সাইডবেঞ্চে অপেক্ষা করতে হয়েছিল তাকে। ম্যাচের প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চোখ ধাঁধানো জোড়া গোল এবং ম্যাচের ৬০ মিনিটে ম্যাথিউস কুনহার দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্রাজিল তখন ৩-০ গোলে এগিয়ে। তৃতীয় গোলটি করার পর কুনহা সাইডবেঞ্চে থাকা দলের প্রাণভোমরা নেইমারের সঙ্গেই গোলটি উদযাপন করেন। এর ঠিক ১৫ মিনিট পর, অর্থাৎ ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে সেই কুনহার বদলি হিসেবেই মাঠে প্রবেশ করেন নেইমার, যার মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের অন্যতম প্রতীক্ষিত এক অধ্যায়ের।























