রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতের সহকারি হাইকমিশনার মনোজ কুমার বলেছেন,আমরা সব সময় বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি। ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যে ভাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে সেটি আরো উন্নত করতে আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে যাব।
রবিবার দুপুর ২টায় হিলি সীমান্তের চেকপোষ্ট গেট সংলগ্ন ডাকবাংলোয় হিলি কাস্টমস সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের আয়োজনে বন্দরের ব্যবসায়ীদের সাথে এক বৈঠকে তিনি এই কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন,দুদেশের মধ্যে যে সম্পর্ক আছে,দুদেশের সরকারের মধ্যে যে সম্পর্ক আছে, জনগণের সঙ্গে জনগণের কন্টাক্ট আছে,দুদেশের নাগরিকদের মধ্যে যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পর্ক আছে,সেই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার জন্য দুদেশের আমদানিকারক রফতানিকারক ব্যবসায়িকদের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। দুদেশের আমদানিকারক ও রফতানিকারক ব্যবসায়ীরা খুব ভালো কাজ করছেন। আমাদের যে সম্পর্ক বিশেষ করে ব্যবসায়িক সম্পর্ক,অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সংযোগ,পিপল টু পিপল সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য আমি আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আপনারা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে দারুণ কাজ করছেন। ভবিষ্যতে আপনারা এটি অব্যাহত রাখবেন আমরা আপনাদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করব।
তিনি আরো বলেন,বর্তমানে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১২০ থেকে ১২২ট্রাক পণ্য আমদানি হচ্ছে এই সংখ্যা আরো কিভাবে বাড়ানো যায় ১৫০ট্রাক করা যায় কি না দুদেশের আমদানিকারক ও রফতানিকারকব্যবসায়ীরা সেই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এটি একটি ভালো চিন্তাভাবনা,এটি একটি ভালো অগ্রগতি যে উভয় পক্ষই বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি আরো বাড়ানোর চেষ্টা করছে। আশা করি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি অর্জিত হবে। নিয়ত বা উদ্দেশ্য খুব পরিষ্কার ভালো, আর উদ্দেশ্য ভালো হলে ফলাফলও ভালো হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে দুপুর ১টায় তিনি হিলি সীমান্তের চেকপোষ্ট গেটে আসেন এসময় স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতৃবন্দ তাকে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে হিলি সীমান্তের জিরোপয়েন্ট এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি সীমান্তে দায়ীত্বরত বিজিবি ও বিএসএফের কর্মকান্ড পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে সেখানে তাকে দুদেশের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে তিনি ডাকবাংলোয় এসে ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠকে মিলিত হন। এসময় ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভারত অ্যভন্তরে হিলিতে কোয়ান্টোইন অফিস না থাকা, উদ্ধর্তন কাস্টমস কর্মকর্তার অফিস না থাকা,বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানিকৃত পণ্যসমুহ দ্রুত পরিক্ষা নীরিক্ষা সম্পুর্ন করাসহ ভিসা জটিলতা নিরসন করে ব্যবসায়ীদের সহজে যেন বিজনেস ভিসা দেওয়া হয় সেই দাবী জানানো হয়। এসময় সেখানে হিলি কাস্টমস সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান,সাধারন সম্পাদক শাহিনুর ইসলামসহ আমদানিকারক ও রফতানিকারকগন উপস্থিত ছিলেন।























