পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ ও বন রক্ষায় সার্বিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত ৯টা-৫টার দায়িত্বের বাইরে গিয়েও উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। সভার বিষয়ে বিস্তারিত জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
সভায় দেশের পরিবেশ রক্ষায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে:
মাদার ট্রি সংরক্ষণ: আগামী ৬ মাসের মধ্যে দেশের ‘মাদার ট্রি’ চিহ্নিত করে সেগুলো সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
২৫ কোটি গাছ রোপণ ও পরিচর্যা: সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। অন্যান্য মন্ত্রণালয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে সেই ঘাটতি পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে মেটাতে হবে। শুধু চারা রোপণই নয়, নিজস্ব লোক পাঠিয়ে চারা বেঁচে আছে কি না তা পর্যবেক্ষণ ও পরিচর্যা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পার্বত্য অঞ্চলে বনায়ন ও সবুজায়ন: পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বনায়ন বৃদ্ধির উপায় বের করা এবং মানুষের প্রকৃতির সান্নিধ্যে যাওয়ার সুযোগ বাড়াতে ছাদবাগান ও স্কুলবাগানসহ বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে।
বায়ুদূষণ রোধে তাগিদ: ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার ওপরের দিকে থাকা দেশের জন্য লজ্জাজনক। এ পরিস্থিতি বদলাতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সচেতনতা বৃদ্ধি: পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়াতে পৃথক প্রচার ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ এবং ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






















