০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বিদ্যুৎচালিত ট্রেনের যুগ শুরু, ব্যয় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

  • আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • 13

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বিদ্যুৎচালিত ট্রেনের যুগ শুরু, ব্যয় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

কালো ধোঁয়ার যুগ পেরিয়ে দেশে চালু হতে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব ও দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক ট্রেন। এর অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে পৌনে চার হাজার কোটি টাকার ‘ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন প্রকল্প’ অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এডিবির অর্থায়নে ২০২৮ সালের মধ্যে এ রুটে ওভারহেড ক্যাটেনারি তার ও পাওয়ার সাব-স্টেশন স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির জন্য ১৬ সেট রোলিং স্টক কেনা হবে, যার প্রতি সেটে থাকবে অন্তত ৬টি করে কোচ।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মতে, নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর অংশটি ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোর ইলেকট্রিক ট্রেনের আওতায় আনার প্রথম কৌশলগত ভিত্তি। পুরো দেশকে এই প্রযুক্তির আওতায় আনার অংশ হিসেবে টঙ্গী-আখাউড়ার ৯৭ কিলোমিটার লাইন ডুয়েলগেজে রূপান্তরে ১৪ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকার ডিপিপি প্রস্তুত করা হয়েছে, যা ২০৩২ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এছাড়া লাকসাম-চট্টগ্রাম ১৩১ কিলোমিটার পথ ডুয়েলগেজে রূপান্তরে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। নতুন এসব লাইন নির্মাণের সময়ই ওভারহেড ক্যাটেনারি ও ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ব্যবস্থা বসানো হবে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আশা করছে, ২০৩২-৩৩ সালের মধ্যে ব্রডগেজ রূপান্তর শেষ করে ২০৩৩-৩৪ সালের মধ্যে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করা সম্ভব হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুতগতির ট্রেন নিরাপদে চালনা, ওভারহেড তার ও লেভেল ক্রসিংয়ে অটোমেটিক সিগন্যাল বসানো এবং দূরপাল্লার জন্য সঠিক স্পেসিফিকেশনের রোলিং স্টক নির্বাচন করাই হবে এই প্রকল্পের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

2 October 2026

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বিদ্যুৎচালিত ট্রেনের যুগ শুরু, ব্যয় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

Spread the love
জনপ্রিয়

শরীয়তপুর আদালতে ৩ আইনজীবীকে মারধর: জেলা আইনজীবী সমিতির তদন্ত কমিটি গঠন

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বিদ্যুৎচালিত ট্রেনের যুগ শুরু, ব্যয় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

কালো ধোঁয়ার যুগ পেরিয়ে দেশে চালু হতে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব ও দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক ট্রেন। এর অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে পৌনে চার হাজার কোটি টাকার ‘ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন প্রকল্প’ অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এডিবির অর্থায়নে ২০২৮ সালের মধ্যে এ রুটে ওভারহেড ক্যাটেনারি তার ও পাওয়ার সাব-স্টেশন স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির জন্য ১৬ সেট রোলিং স্টক কেনা হবে, যার প্রতি সেটে থাকবে অন্তত ৬টি করে কোচ।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মতে, নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর অংশটি ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোর ইলেকট্রিক ট্রেনের আওতায় আনার প্রথম কৌশলগত ভিত্তি। পুরো দেশকে এই প্রযুক্তির আওতায় আনার অংশ হিসেবে টঙ্গী-আখাউড়ার ৯৭ কিলোমিটার লাইন ডুয়েলগেজে রূপান্তরে ১৪ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকার ডিপিপি প্রস্তুত করা হয়েছে, যা ২০৩২ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এছাড়া লাকসাম-চট্টগ্রাম ১৩১ কিলোমিটার পথ ডুয়েলগেজে রূপান্তরে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। নতুন এসব লাইন নির্মাণের সময়ই ওভারহেড ক্যাটেনারি ও ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ব্যবস্থা বসানো হবে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আশা করছে, ২০৩২-৩৩ সালের মধ্যে ব্রডগেজ রূপান্তর শেষ করে ২০৩৩-৩৪ সালের মধ্যে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করা সম্ভব হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুতগতির ট্রেন নিরাপদে চালনা, ওভারহেড তার ও লেভেল ক্রসিংয়ে অটোমেটিক সিগন্যাল বসানো এবং দূরপাল্লার জন্য সঠিক স্পেসিফিকেশনের রোলিং স্টক নির্বাচন করাই হবে এই প্রকল্পের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

2 October 2026

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বিদ্যুৎচালিত ট্রেনের যুগ শুরু, ব্যয় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

Spread the love