১১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’: বন্দিদশা কেটেছে ৩১ বাংলাদেশি নাবিকের

  • আপডেট সময় : ১২:২৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • 48

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’: বন্দিদশা কেটেছে ৩১ বাংলাদেশি নাবিকের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও দীর্ঘ অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কার্গো জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ (আইএমও: ৯৭৯৩৮২০) সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। ২০১৮ সালে নির্মিত এবং ৩৮ হাজার ৮৯৪ ডিডব্লিউটি ধারণক্ষমতার এই বাল্ক ক্যারিয়ারটি বর্তমানে নিরাপদ বাংকারিং ও প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। জাহাজে কর্মরত ৩১ জন ক্রু-এর সকলেই বাংলাদেশি এবং তারা সম্পূর্ণ সুস্থ ও নিরাপদ আছেন। বিএসসি জানিয়েছে, চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও জাহাজটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাহসিকতা, দক্ষ নৌ-পরিচালনা এবং সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সার্বক্ষণিক তদারকির ফলেই এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি খ্যাতনামা চার্টারারের অধীনে ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ গত ২৬ জানুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করেছিল। প্রাথমিকভাবে জাহাজটি কাতারের মেসাইদ বন্দর থেকে ৩৯ হাজার টন স্টিল কয়েল নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়। তবে জাহাজটি জেবেল আলী বন্দরে অবস্থানকালেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই অঞ্চলে তীব্র সামরিক সংঘাত ও যুদ্ধ শুরু হয়। এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যেও জাহাজটি গত ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে স্টিল কয়েলের কার্গো সফলভাবে খালাস করতে সক্ষম হয়।

কার্গো খালাসের পর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের বিষয়টি চরম অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এই সংকটময় অবস্থায় জাহাজটিকে অলস না রেখে এবং চার্টারারের দৈনিক ভাড়া (হায়ার) অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বিএসসি একটি চতুর বাণিজ্যিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী জাহাজটিকে সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দরে পাঠানো হয় এবং সেখান থেকে প্রায় ৩৭ হাজার মেট্রিক টন সার বোঝাই করে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন ও ডারবান বন্দরের উদ্দেশে যাত্রার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। বিএসসি জানায়, সংকটকালেও অত্যন্ত দক্ষ বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনার কারণে নতুন কার্গো বোঝাইয়ের জন্য জাহাজটিকে একদিনের জন্যও ‘অফ-হায়ার’ হতে হয়নি, ফলে নিয়মিত ভাড়া প্রাপ্তি অব্যাহত ছিল।

তবে সার বোঝাই করার পর হরমুজ প্রণালির তীব্র অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি আর ওই এলাকা ত্যাগ করতে পারছিল না। দীর্ঘ অচলাবস্থার মধ্যে গত ১৮ এপ্রিল ইরান নৌবাহিনী নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণ দেখিয়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজটির ট্রানজিট বা পারাপারের অনুমতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের স্পর্শকাতর যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জাহাজটি দীর্ঘ সময়ের জন্য কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। চলতি বছরের শুরু থেকেই হরমুজ প্রণালি বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ‘চোক পয়েন্টে’ পরিণত হয়েছে। যুদ্ধঝুঁকি বিমার প্রিমিয়াম বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নানা বিধিনিষেধের মধ্যেও ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’র এই নিরাপদ ট্রানজিট দেশের সামুদ্রিক খাতের সক্ষমতার একটি অনন্য মাইলফলক। বিএসসির মতে, প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন সংকট মোকাবিলার ঘটনা বিরল এবং এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক খাতেও বাংলাদেশের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

দীর্ঘ বন্দিদশা ও অচলাবস্থার পুরোটা সময় জাহাজের ৩১ জন নাবিক ও ক্রু সদস্যের মনোবল ধরে রাখতে বিএসসি বিশেষভাবে তৎপর ছিল। জাহাজে সুপেয় পানি, খাদ্য, রসদ ও জ্বালানির সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতি হতে দেওয়া হয়নি। এছাড়া নাবিকদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি বিশেষ অনুমোদনের মাধ্যমে দৈনিক ৫ মার্কিন ডলার মিল অ্যালাউন্স, ঈদ উপলক্ষে বিশেষ প্রণোদনা এবং ‘ওয়ার ওয়েজ’ বা যুদ্ধকালীন ভাতা প্রদান করা হয়েছে। বিএসসির মতে, সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপগুলো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নাবিকদের অসীম সাহসের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করেছে।

বিএসসি আরও জানায়, পুরো সংকটকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া ভিডিও কনফারেন্স ও টেলিফোনের মাধ্যমে জাহাজের ক্যাপ্টেন ও নাবিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের সাহস জুগিয়েছেন। বিশেষ করে জাহাজটি যখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছিল, তখন নৌপরিবহন ministry ও বিএসসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মেরিন ট্রাফিকের মাধ্যমে জাহাজটির গতিবিধি প্রতি মুহূর্তে পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। সরকার ও মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের তদারকি, প্রতিষ্ঠানের সঠিক সংকট ব্যবস্থাপনা এবং জাহাজের ক্যাপ্টেন, চিহ্ ইঞ্জিনিয়ারসহ সব ক্রু সদস্যের সমন্বিত বীরত্বপূর্ণ প্রচেষ্টার ফলেই এই আন্তর্জাতিক সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করে বিএসসি।

16 September 2026

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’: বন্দিদশা কেটেছে ৩১ বাংলাদেশি নাবিকের

জনপ্রিয়

হৃদরোগ হাসপাতালে দুই মোবাইল চোর আটক

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’: বন্দিদশা কেটেছে ৩১ বাংলাদেশি নাবিকের

আপডেট সময় : ১২:২৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও দীর্ঘ অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কার্গো জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ (আইএমও: ৯৭৯৩৮২০) সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। ২০১৮ সালে নির্মিত এবং ৩৮ হাজার ৮৯৪ ডিডব্লিউটি ধারণক্ষমতার এই বাল্ক ক্যারিয়ারটি বর্তমানে নিরাপদ বাংকারিং ও প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। জাহাজে কর্মরত ৩১ জন ক্রু-এর সকলেই বাংলাদেশি এবং তারা সম্পূর্ণ সুস্থ ও নিরাপদ আছেন। বিএসসি জানিয়েছে, চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও জাহাজটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাহসিকতা, দক্ষ নৌ-পরিচালনা এবং সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সার্বক্ষণিক তদারকির ফলেই এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি খ্যাতনামা চার্টারারের অধীনে ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ গত ২৬ জানুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করেছিল। প্রাথমিকভাবে জাহাজটি কাতারের মেসাইদ বন্দর থেকে ৩৯ হাজার টন স্টিল কয়েল নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়। তবে জাহাজটি জেবেল আলী বন্দরে অবস্থানকালেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই অঞ্চলে তীব্র সামরিক সংঘাত ও যুদ্ধ শুরু হয়। এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যেও জাহাজটি গত ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে স্টিল কয়েলের কার্গো সফলভাবে খালাস করতে সক্ষম হয়।

কার্গো খালাসের পর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের বিষয়টি চরম অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এই সংকটময় অবস্থায় জাহাজটিকে অলস না রেখে এবং চার্টারারের দৈনিক ভাড়া (হায়ার) অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বিএসসি একটি চতুর বাণিজ্যিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী জাহাজটিকে সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দরে পাঠানো হয় এবং সেখান থেকে প্রায় ৩৭ হাজার মেট্রিক টন সার বোঝাই করে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন ও ডারবান বন্দরের উদ্দেশে যাত্রার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। বিএসসি জানায়, সংকটকালেও অত্যন্ত দক্ষ বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনার কারণে নতুন কার্গো বোঝাইয়ের জন্য জাহাজটিকে একদিনের জন্যও ‘অফ-হায়ার’ হতে হয়নি, ফলে নিয়মিত ভাড়া প্রাপ্তি অব্যাহত ছিল।

তবে সার বোঝাই করার পর হরমুজ প্রণালির তীব্র অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি আর ওই এলাকা ত্যাগ করতে পারছিল না। দীর্ঘ অচলাবস্থার মধ্যে গত ১৮ এপ্রিল ইরান নৌবাহিনী নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণ দেখিয়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজটির ট্রানজিট বা পারাপারের অনুমতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের স্পর্শকাতর যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জাহাজটি দীর্ঘ সময়ের জন্য কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। চলতি বছরের শুরু থেকেই হরমুজ প্রণালি বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ‘চোক পয়েন্টে’ পরিণত হয়েছে। যুদ্ধঝুঁকি বিমার প্রিমিয়াম বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নানা বিধিনিষেধের মধ্যেও ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’র এই নিরাপদ ট্রানজিট দেশের সামুদ্রিক খাতের সক্ষমতার একটি অনন্য মাইলফলক। বিএসসির মতে, প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন সংকট মোকাবিলার ঘটনা বিরল এবং এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক খাতেও বাংলাদেশের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

দীর্ঘ বন্দিদশা ও অচলাবস্থার পুরোটা সময় জাহাজের ৩১ জন নাবিক ও ক্রু সদস্যের মনোবল ধরে রাখতে বিএসসি বিশেষভাবে তৎপর ছিল। জাহাজে সুপেয় পানি, খাদ্য, রসদ ও জ্বালানির সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতি হতে দেওয়া হয়নি। এছাড়া নাবিকদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি বিশেষ অনুমোদনের মাধ্যমে দৈনিক ৫ মার্কিন ডলার মিল অ্যালাউন্স, ঈদ উপলক্ষে বিশেষ প্রণোদনা এবং ‘ওয়ার ওয়েজ’ বা যুদ্ধকালীন ভাতা প্রদান করা হয়েছে। বিএসসির মতে, সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপগুলো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নাবিকদের অসীম সাহসের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করেছে।

বিএসসি আরও জানায়, পুরো সংকটকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া ভিডিও কনফারেন্স ও টেলিফোনের মাধ্যমে জাহাজের ক্যাপ্টেন ও নাবিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের সাহস জুগিয়েছেন। বিশেষ করে জাহাজটি যখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছিল, তখন নৌপরিবহন ministry ও বিএসসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মেরিন ট্রাফিকের মাধ্যমে জাহাজটির গতিবিধি প্রতি মুহূর্তে পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। সরকার ও মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের তদারকি, প্রতিষ্ঠানের সঠিক সংকট ব্যবস্থাপনা এবং জাহাজের ক্যাপ্টেন, চিহ্ ইঞ্জিনিয়ারসহ সব ক্রু সদস্যের সমন্বিত বীরত্বপূর্ণ প্রচেষ্টার ফলেই এই আন্তর্জাতিক সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করে বিএসসি।

16 September 2026

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’: বন্দিদশা কেটেছে ৩১ বাংলাদেশি নাবিকের