নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটক করাকে কেন্দ্র করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তারের সমর্থনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন তারা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালনার সময় আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করেন দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। এ সময় মোটরসাইকেলটির নিবন্ধন না থাকায় সেটি আটক করা হয়।
ঘটনাস্থলে এ নিয়ে আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের বাগ্বিতণ্ডা হয়।
পরে সন্ধ্যার দিকে জেলা ছাত্রদলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। তাঁরা কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান করায় ভেতরে থাকা পুলিশ সদস্যদের চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং নেতাকর্মীরা সেখান থেকে চলে যান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল না। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ট্রাফিক পরিদর্শক ও সার্জেন্ট চেকপোস্টে মোটরসাইকেলটি থামানোর সংকেত দেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে আক্তারুজ্জামানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে নিয়ম অনুযায়ী মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়।
তিনি বলেন, মোটরসাইকেল আটকের প্রতিবাদে ছাত্রদলের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন নেতাকর্মী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। তবে সেখানে কয়েকজন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেন এবং পুলিশের উদ্দেশে অশোভন মন্তব্য করেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আক্তারুজ্জামান বলেন, মোটরসাইকেল আটক করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছে।























