০৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বঞ্চনা পেরিয়ে নেতৃত্বে জামানুর রহমান

দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি: ডিপিএইচই-এর প্রধান প্রকৌশলী হলেন অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা

দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি: ডিপিএইচই-এর প্রধান প্রকৌশলী হলেন অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা

দীর্ঘ পেশাজীবনে নানা প্রতিকূলতা, বঞ্চনা ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে দক্ষতা, সততা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দেওয়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) ফরিদপুর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ জামানুর রহমান এবার প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। স্বারক নং: ৪৬১০০০১০০০০০.০৮৩.১৯.০০৫.২৪.৬৩৭-এর মাধ্যমে ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে আশফিকুন নাহার (পিএইচডি), উপসচিব-এর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে তাকে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন দায়িত্বে) হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। অভিজ্ঞ এই প্রকৌশলীকে গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব দেওয়ায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

অভিজ্ঞ এই প্রকৌশলী দীর্ঘদিন ধরে ডিপিএইচইতে দক্ষ, সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। প্রশাসনিক দক্ষতার পাশাপাশি কারিগরি বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান রয়েছে। ফরিদপুর সার্কেলে দায়িত্ব পালনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং দায়িত্ব পালনে তার ভূমিকা সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসিত হয়েছে বলে জানা যায়।

তবে তার এই অবস্থানে পৌঁছানোর পথটি সবসময় মসৃণ ছিল না। ছাত্রজীবনে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অতীতের এক দীর্ঘ সময়, বিশেষ করে প্রায় ১৫ বছরের একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শাসনামলে, তিনি বিভিন্ন ধরনের বঞ্চনা ও হয়রানির শিকার হন। ওই সময়ে তাকে একাধিকবার প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে উপেক্ষা করা হয়েছিল বলেও সূত্রের দাবি।

শুধু পদায়ন বা দায়িত্বপ্রাপ্তির ক্ষেত্রেই নয়, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছিল বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি পেশাগত দায়িত্ব থেকে সরে যাননি। ধৈর্য, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে নিজের কর্মক্ষেত্রে অবস্থান ধরে রাখেন তিনি।

সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোঃ জামানুর রহমান ব্যক্তিগতভাবে শান্ত স্বভাবের এবং দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। ফরিদপুর সার্কেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তার সম্পর্কে এমন জনশ্রুতি রয়েছে যে, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রবণতা তার মধ্যে নেই। বরং দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বিষয়টিকে তিনি গুরুত্ব দেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

তার নিজ জেলা ও কর্মস্থলে খোঁজ নিয়েও তার সম্পর্কে ইতিবাচক নানা তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়। তাদের ভাষ্য, তিনি সদালাপী, মিশুক ও মানবিক স্বভাবের মানুষ। কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আচরণেও এর প্রতিফলন রয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, একাগ্রতা ও ন্যায়নিষ্ঠ আচরণের কারণে তিনি সংশ্লিষ্টদের আস্থা অর্জন করেছেন বলে দাবি তাদের।

ডিপিএইচইর গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে তাকে পাওয়ায় অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন বিভিন্ন মহলের সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, কারিগরি জ্ঞান ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয় কাজে লাগিয়ে তিনি অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প ও ন্যায্যকৃত কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, তার নেতৃত্বে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও সমন্বয় বাড়বে এবং জাতীয় পর্যায়ে ডিপিএইচইর সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা আরও শক্তিশালী হবে।

17 September 2026

দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি: ডিপিএইচই-এর প্রধান প্রকৌশলী হলেন অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা

জনপ্রিয়

ইতালিতে মানবপাচারের সময় সাগরে নৌকা ডুবে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু, গ্রেফতার ২

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

বঞ্চনা পেরিয়ে নেতৃত্বে জামানুর রহমান

দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি: ডিপিএইচই-এর প্রধান প্রকৌশলী হলেন অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ পেশাজীবনে নানা প্রতিকূলতা, বঞ্চনা ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে দক্ষতা, সততা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দেওয়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) ফরিদপুর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ জামানুর রহমান এবার প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। স্বারক নং: ৪৬১০০০১০০০০০.০৮৩.১৯.০০৫.২৪.৬৩৭-এর মাধ্যমে ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে আশফিকুন নাহার (পিএইচডি), উপসচিব-এর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে তাকে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন দায়িত্বে) হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। অভিজ্ঞ এই প্রকৌশলীকে গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব দেওয়ায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

অভিজ্ঞ এই প্রকৌশলী দীর্ঘদিন ধরে ডিপিএইচইতে দক্ষ, সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। প্রশাসনিক দক্ষতার পাশাপাশি কারিগরি বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান রয়েছে। ফরিদপুর সার্কেলে দায়িত্ব পালনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং দায়িত্ব পালনে তার ভূমিকা সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসিত হয়েছে বলে জানা যায়।

তবে তার এই অবস্থানে পৌঁছানোর পথটি সবসময় মসৃণ ছিল না। ছাত্রজীবনে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অতীতের এক দীর্ঘ সময়, বিশেষ করে প্রায় ১৫ বছরের একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শাসনামলে, তিনি বিভিন্ন ধরনের বঞ্চনা ও হয়রানির শিকার হন। ওই সময়ে তাকে একাধিকবার প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে উপেক্ষা করা হয়েছিল বলেও সূত্রের দাবি।

শুধু পদায়ন বা দায়িত্বপ্রাপ্তির ক্ষেত্রেই নয়, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছিল বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি পেশাগত দায়িত্ব থেকে সরে যাননি। ধৈর্য, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে নিজের কর্মক্ষেত্রে অবস্থান ধরে রাখেন তিনি।

সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মোঃ জামানুর রহমান ব্যক্তিগতভাবে শান্ত স্বভাবের এবং দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। ফরিদপুর সার্কেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তার সম্পর্কে এমন জনশ্রুতি রয়েছে যে, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রবণতা তার মধ্যে নেই। বরং দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বিষয়টিকে তিনি গুরুত্ব দেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

তার নিজ জেলা ও কর্মস্থলে খোঁজ নিয়েও তার সম্পর্কে ইতিবাচক নানা তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়। তাদের ভাষ্য, তিনি সদালাপী, মিশুক ও মানবিক স্বভাবের মানুষ। কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আচরণেও এর প্রতিফলন রয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, একাগ্রতা ও ন্যায়নিষ্ঠ আচরণের কারণে তিনি সংশ্লিষ্টদের আস্থা অর্জন করেছেন বলে দাবি তাদের।

ডিপিএইচইর গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে তাকে পাওয়ায় অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন বিভিন্ন মহলের সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, কারিগরি জ্ঞান ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয় কাজে লাগিয়ে তিনি অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প ও ন্যায্যকৃত কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, তার নেতৃত্বে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও সমন্বয় বাড়বে এবং জাতীয় পর্যায়ে ডিপিএইচইর সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা আরও শক্তিশালী হবে।

17 September 2026

দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি: ডিপিএইচই-এর প্রধান প্রকৌশলী হলেন অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা