যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। একই সময়ে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা নিম্নমুখী হতে দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা পুরোপুরি না কমায় বিনিয়োগকারীরা এখনো নিরাপদ খাত হিসেবে স্বর্ণের দিকেই ঝুঁকছেন। এর ফলে স্পট গোল্ডের দাম ০.৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,০৪২.৬৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার্সের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে ৪,০৪৭.৪০ ডলারে পৌঁছেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বর্ণ চার হাজার ডলারের আশপাশে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে আবার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা এবং ইরানকে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। তবে ইয়েমেনের হুথিদের নতুন হুমকি এবং উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, সংঘাতের কারণে তেলের দাম পুনরায় বৃদ্ধি পেলে তা সার্বিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভকে সুদের হার বাড়ানোর পথেই হাঁটতে হতে পারে। বর্তমানে আগামী সপ্তাহে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা বেশি হলেও, সেপ্টেম্বর মাসে তা বাড়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬৪ শতাংশ বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও এই সময়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রূপার দাম ২.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়াম—উভয় ধাতুর দামই ০.৮ শতাংশ করে বেড়েছে।



















