০৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ৫ হাজার ট্যাব, ৬৬ হাজারের বেশি কর্মীর প্রশিক্ষণ শুরু

  • আপডেট সময় : ০২:০২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 8

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ৫ হাজার ট্যাব, ৬৬ হাজারের বেশি কর্মীর প্রশিক্ষণ শুরু

সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে দেশের ২০৮টি উপজেলার ২০৮টি ওয়ার্ডে পাইলটিং ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য প্রদান করা হবে ৫ হাজার ট্যাব। কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে সদর দপ্তরের মাস্টার ট্রেইনারদের তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, যেমন—ট্যাব, পোশাক, সিম সংযোগ ও নির্ধারিত অ্যাপ ইনস্টল সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের এক দিনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরবর্তীতে সদর দপ্তরের ২০ জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দেশের বিভিন্ন ভেন্যুতে প্রায় ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনারকে দুই দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন, যা বিভাগীয় পরিচালকদের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলা পর্যায়ে এই মাস্টার ট্রেইনাররা সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের দুই দিন করে প্রশিক্ষণ দেবেন। তবে মাঠপর্যায়ে কাজের পূর্বে প্রত্যেক সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীকে অনলাইন মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। যদি কোথাও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার অভাব থাকে, তবে বিকল্প হিসেবে স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা, আইসিটি কর্মকর্তা বা কৃষি কর্মকর্তার মতো প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া যাবে।

তথ্য সংগ্রহের এলাকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাচিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডকে বেছে নেওয়া হবে। জেলা উপপরিচালকরা স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওয়ার্ড চূড়ান্ত করবেন। তবে সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের সাথে পরামর্শক্রমে যেকোনো একটি ওয়ার্ড নির্বাচন করা যাবে।

সারাদেশে মোট ৬৬ হাজার ৯১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৮১৮ জন সুপারভাইজার এই কার্যক্রমে অংশ নেবেন। তাদের প্রোফাইল আইডি জরুরি ভিত্তিতে যাচাই ও অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ কাজ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, তবে লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে তাকে বাদ দিয়ে রেজুলেশন অনুযায়ী অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নতুন কর্মী নিয়োগ করা হবে। সম্পূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন কমিটির প্রয়োজন নেই; সরকারি গেজেটে প্রকাশিত বিদ্যমান কমিটিই এই ফ্যামিলি কার্ডের সমস্ত কাজ তদারকি করবে।

24 September 2026

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ৫ হাজার ট্যাব, ৬৬ হাজারের বেশি কর্মীর প্রশিক্ষণ শুরু

জনপ্রিয়

বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ৫ হাজার ট্যাব, ৬৬ হাজারের বেশি কর্মীর প্রশিক্ষণ শুরু

আপডেট সময় : ০২:০২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে দেশের ২০৮টি উপজেলার ২০৮টি ওয়ার্ডে পাইলটিং ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য প্রদান করা হবে ৫ হাজার ট্যাব। কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে সদর দপ্তরের মাস্টার ট্রেইনারদের তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, যেমন—ট্যাব, পোশাক, সিম সংযোগ ও নির্ধারিত অ্যাপ ইনস্টল সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের এক দিনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরবর্তীতে সদর দপ্তরের ২০ জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দেশের বিভিন্ন ভেন্যুতে প্রায় ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনারকে দুই দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন, যা বিভাগীয় পরিচালকদের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলা পর্যায়ে এই মাস্টার ট্রেইনাররা সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের দুই দিন করে প্রশিক্ষণ দেবেন। তবে মাঠপর্যায়ে কাজের পূর্বে প্রত্যেক সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীকে অনলাইন মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। যদি কোথাও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার অভাব থাকে, তবে বিকল্প হিসেবে স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা, আইসিটি কর্মকর্তা বা কৃষি কর্মকর্তার মতো প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া যাবে।

তথ্য সংগ্রহের এলাকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাচিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডকে বেছে নেওয়া হবে। জেলা উপপরিচালকরা স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওয়ার্ড চূড়ান্ত করবেন। তবে সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের সাথে পরামর্শক্রমে যেকোনো একটি ওয়ার্ড নির্বাচন করা যাবে।

সারাদেশে মোট ৬৬ হাজার ৯১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৮১৮ জন সুপারভাইজার এই কার্যক্রমে অংশ নেবেন। তাদের প্রোফাইল আইডি জরুরি ভিত্তিতে যাচাই ও অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ কাজ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, তবে লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে তাকে বাদ দিয়ে রেজুলেশন অনুযায়ী অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নতুন কর্মী নিয়োগ করা হবে। সম্পূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন কমিটির প্রয়োজন নেই; সরকারি গেজেটে প্রকাশিত বিদ্যমান কমিটিই এই ফ্যামিলি কার্ডের সমস্ত কাজ তদারকি করবে।

24 September 2026

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ৫ হাজার ট্যাব, ৬৬ হাজারের বেশি কর্মীর প্রশিক্ষণ শুরু