০৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন

কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে নতুন কর্মপরিকল্পনা

  • আপডেট সময় : ০৭:২২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • 19

কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে নতুন কর্মপরিকল্পনা

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সুস্পষ্ট নীতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল সোমবার পালিত হতে যাওয়া এই দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, নিরাপত্তাহীনতা বা বৈষম্যের কারণে থমকে না যায়, সরকার তা নিশ্চিত করতে চায়। প্রতিটি কন্যাশিশু যেন শিক্ষা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ হয়ে নিজের সম্ভাবনা বিকাশের সমান সুযোগ পায়—এটাই বর্তমান সরকারের মূল অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রতিটি মেয়ের নিরাপদে বেড়ে ওঠা এবং স্বাধীনভাবে তার স্বপ্ন ও সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক কর্তব্য। আজকের কন্যাশিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও স্বপ্ন বিকাশের সুযোগ দেওয়া গেলে তারা একটি জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। তাই এই দিবসে প্রতিটি কন্যাশিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় আরও দৃঢ় অঙ্গীকার করার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও সব ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষার প্রসারে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া নারীদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বর্তমান সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ালেখার সুযোগ অবারিত করেছে। সরকার এমন একটি সমাজ বিনির্মাণে নিরলস কাজ করছে, যেখানে একটি মেয়ের জন্ম পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে এবং অর্থনৈতিক বা অন্য কোনো কারণে কারও পড়ালেখা বন্ধ হবে না।

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে। একই সাথে কন্যাশিশু ও নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষায় বিভিন্ন সমন্বিত উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, বাস্তব ও ডিজিটাল—উভয় পরিসরেই কন্যাশিশুদের নির্ভয়ে চলাচল, শিক্ষা গ্রহণ, কথা বলা ও মত প্রকাশের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রকে যৌথভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিশেষে, তিনি দেশের সকল কন্যাশিশু, তাদের অভিভাবক ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

11 October 2026

কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে নতুন কর্মপরিকল্পনা

Spread the love
জনপ্রিয়

ফ্যাসিস্ট আমলের উন্নয়ন প্রকল্পের অনিয়ম তদন্তের আহ্বান

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন

কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে নতুন কর্মপরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০৭:২২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সুস্পষ্ট নীতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল সোমবার পালিত হতে যাওয়া এই দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, নিরাপত্তাহীনতা বা বৈষম্যের কারণে থমকে না যায়, সরকার তা নিশ্চিত করতে চায়। প্রতিটি কন্যাশিশু যেন শিক্ষা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ হয়ে নিজের সম্ভাবনা বিকাশের সমান সুযোগ পায়—এটাই বর্তমান সরকারের মূল অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রতিটি মেয়ের নিরাপদে বেড়ে ওঠা এবং স্বাধীনভাবে তার স্বপ্ন ও সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক কর্তব্য। আজকের কন্যাশিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও স্বপ্ন বিকাশের সুযোগ দেওয়া গেলে তারা একটি জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। তাই এই দিবসে প্রতিটি কন্যাশিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় আরও দৃঢ় অঙ্গীকার করার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও সব ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষার প্রসারে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া নারীদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বর্তমান সরকার নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ালেখার সুযোগ অবারিত করেছে। সরকার এমন একটি সমাজ বিনির্মাণে নিরলস কাজ করছে, যেখানে একটি মেয়ের জন্ম পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে এবং অর্থনৈতিক বা অন্য কোনো কারণে কারও পড়ালেখা বন্ধ হবে না।

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে। একই সাথে কন্যাশিশু ও নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষায় বিভিন্ন সমন্বিত উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, বাস্তব ও ডিজিটাল—উভয় পরিসরেই কন্যাশিশুদের নির্ভয়ে চলাচল, শিক্ষা গ্রহণ, কথা বলা ও মত প্রকাশের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রকে যৌথভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিশেষে, তিনি দেশের সকল কন্যাশিশু, তাদের অভিভাবক ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

11 October 2026

কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে নতুন কর্মপরিকল্পনা

Spread the love