বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য সৈয়দ আল আমিনের বিরুদ্ধে মুভি বাংলা টেলিভিশন ও জাতীয় দৈনিক ‘আলোর সময়’ অফিসে হামলার পরিকল্পনার তীব্র অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি সামনে আসা এই অভিযোগের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে পুরোনো মামলা, হামলা-সংঘর্ষ, অবৈধ সম্পদ দখল, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো একাধিক গুরুতর অনিয়মের তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর রাতে মিরপুর থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় দায়ের করা একটি মামলায় (মামলা নং-৪০/০৭/২৫) বেআইনি সমাবেশ, মারধর, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার ও হত্যাচেষ্টাসহ দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩০৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৬, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবশালী অবস্থানকে হাতিয়ার করে সৈয়দ আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে নানা অসামাজিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। বেশ কিছু জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) থাকার সত্যতাও মিলেছে। সম্প্রতি বাড্ডা থানার মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। বিশেষ করে মুভি বাংলা টেলিভিশন ও আলোর সময় অফিসে পরিকল্পিত হামলার চক্রান্তের খবর ছড়িয়ে পড়ায় সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার গাম্ভীর্য বিবেচনা করে মুভি বাংলা টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে এবং হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও তার অন্যান্য মামলার বর্তমান স্থিতি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মুভি বাংলা কর্তৃপক্ষের গৃহীত আইনি পদক্ষেপের অগ্রগতি এবং এই সংক্রান্ত পরবর্তী আপডেট নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।






















