দীর্ঘ সাড়ে ৮ মাস বন্ধ থাকার পর দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের অনুমতি নিয়ে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। সোমবার (আজ) বিকেল পৌনে চারটায় ভারত থেকে কাঁচামরিচবোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়, যা বন্দর এলাকার আমদানিকারক ও শ্রমিকদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে এনেছে।
এদিন বগুড়ার রাজ এন্টারপ্রাইজ ও মাহাদি এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান তিনটি ট্রাকে মোট ২১ টন কাঁচামরিচ আমদানি করে। ভারতের কাটিহার থেকে এসব কাঁচামরিচ আমদানি করা হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ২০শে নভেম্বর এই বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছিল।
আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম জানান, বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়-বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে কাঁচামরিচের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে চাহিদামূখী সংকটের কারণে বাজারে মরিচের দাম ৩৫০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে আমদানির অনুমতি চান এবং গতকাল সরকার অনুমতি দেয়। হিলি স্থলবন্দরের অনেক আমদানিকারক এরই মধ্যে এলসি ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। প্রথম দিন আমদানির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও আগামীতে তা বাড়বে এবং এর ফলে দেশের বাজারে কাঁচামরিচের ঊর্ধ্বমুখী দাম দ্রুত কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গতকাল সরকার আমদানির অনুমোদন দেয়। আজ বিকেল চারটা পর্যন্ত এই বন্দরের ৭৪ জন আমদানিকারক ২৭ হাজার ১১০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। ইতোমধ্যে আমদানি শুরু হওয়ায় দ্রুত নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা শেষে সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে, যার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা দ্রুত পণ্য খালাস করতে পারবেন। এতে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসবে বলে তিনিও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।






















