ইরানের পরমাণু স্থাপনা, সেন্ট্রিফিউজের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম এবং পরমাণু বিজ্ঞানীদের বিষয়ে গোপন তথ্য দিলে দুই কোটি ডলার পর্যন্ত পুরস্কার এবং নিরাপদ পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) এক্সে এক বার্তায় জানায়, জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা (আইএইএ)-এর নজরদারি এড়িয়ে ইরানের তথ্য গোপন রাখার ব্যর্থতার প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১৯৮৪ সাল থেকে চালু থাকা এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য মার্কিনিদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষা করা।
অন্যদিকে, পুরস্কারের এই ঘোষণার দিনই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ওয়াশিংটনের সাথে সমঝোতা করতে অত্যন্ত মরিয়া হয়ে আছে। ফ্লোরিডায় এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলা ৮ মাসের সামরিক অভিযানে ইরানের অর্থনীতি ও সামরিক শক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মার্কিন বাহিনী তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যকরভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মধ্য ইরানের ‘পিকাক্স পর্বত’সহ আর দু-একটি সম্ভাব্য পারমাণবিক স্থাপনায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া বাকি রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক ও কূটনৈতিক চাপের মুখে ইরানের প্রতিক্রিয়াও ইতিবাচক বলে দাবি করা হচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্প্রতি জানিয়েছেন, তাঁর সরকার এখনো আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট নিরসনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনও যুদ্ধ শেষ করতে তেহরানের সাথে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে কাজ করছে।





















