০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবের আকুল আবেদন: সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবের আকুল আবেদন: সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আমার সাবেক স্ত্রী আফরোজা মনি আমাদের দুই মেয়েকে নিয়ে তাঁর বাবার বাড়ি মাদারীপুর জেলার মাদ্দা গ্রামে যান। সেখানে যাওয়ার কিছুদিন পর থেকেই তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নানা অজুহাতে ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব করতে থাকেন। আমি বারবার স্ত্রী ও সন্তানদের ঢাকায় ফিরে আসার অনুরোধ করলেও বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি এক সপ্তাহের মধ্যে ফিরে আসবেন বলে জানান। কিন্তু সেই এক সপ্তাহ আর শেষ হয়নি।
পরবর্তী সময়ে কয়েক মাস পর আমার দুই সন্তানকে আমার কাছে রেখে যান তাঁর বাবা-মা। তাঁরা জানান, তাঁদের মেয়ে অসুস্থ এবং সুস্থ হতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। তাই সন্তান দুটিকে যেন আমি দেখাশোনা করি।
বিষয়টি নিয়ে আমার মনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে পারিবারিক ও অন্যান্য সূত্র থেকে কিছু তথ্য জানতে পারি, যা আমার সংসারজীবনকে আরও জটিল করে তোলে। আমার অভিযোগ, এর আগেও আমার সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে ইতালি প্রবাসী দুই ব্যক্তির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছিল। সে বিষয়ে আমার কাছে কিছু তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করছি। পারিবারিকভাবে একাধিকবার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেও সফল হতে পারিনি।
এদিকে আমার অভিযোগ, সাবেক স্ত্রী বাবার বাড়িতে যাওয়ার সময় আমার দেওয়া প্রায় ছয় ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ দুই লাখ টাকা এবং ১২ লাখ টাকার একটি চেক নিয়ে যান। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে জানতে পেরে আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি।
পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে যখন ডাকযোগে আমার বাসায় তালাকনামা পৌঁছায়। আমার বড় মেয়ে চিঠিটি গ্রহণ করে। পরে জানতে পারি, আমার সাবেক স্ত্রী আফরোজা মনি বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা খাইরুল হাসানের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বর্তমানে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত বলে আমি জানতে পেরেছি। তাঁদের বিয়ের প্রস্তুতি চলছে বলেও বিভিন্ন সূত্রে তথ্য পেয়েছি।
বিষয়টি নিয়ে আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি। আমার অভিযোগ, এ সময় খাইরুল হাসান, আফরোজা মনি এবং তাঁর বাবা আবুল হোসেন মোল্লা ও মা বিউটি বেগমের পক্ষ থেকে আমাকে ও আমার সন্তানদের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি আমাকে জেলহাজতে পাঠানোর ভয় দেখানো হয়েছে বলেও আমার অভিযোগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছি, সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে ঘোরাফেরা এবং বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টে যাতায়াতের অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
খাইরুল হাসানের পূর্ববর্তী দাম্পত্য জীবন নিয়েও কিছু অভিযোগ আমার কাছে এসেছে। তবে এসব বিষয়ও যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
আজ আমার সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো, আমার দুটি সন্তান—একজন মাত্র চার বছরের এবং অন্যজন ১৬ বছরের—তাদের পারিবারিক জীবনে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। একজন বাবা হিসেবে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমার ব্যক্তিগত জীবনের এই সংকট যেন আমার সন্তানদের জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে না দেয়।

আমার আকুল আবেদন

আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাছে বিনীতভাবে কয়েকটি দাবি জানাচ্ছি—
১. সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাইরুল হাসানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হোক।
২. সরকারি পদ, ক্ষমতা ও সরকারি যানবাহনের অপব্যবহারের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
৩. আমাকে ও আমার সন্তানদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
৪. আমার সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন, স্বর্ণালংকার ও চেকসংক্রান্ত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।
৫. আমার দুই সন্তানের অধিকার, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
আমি কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চাই না। আমি চাই সত্য উদ্ঘাটিত হোক, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
একজন অসহায় বাবা হিসেবে আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন, আমার এই কষ্ট, আমার সন্তানদের ভবিষ্যৎ এবং ন্যায়বিচারের দাবিটি আপনাদের গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরুন।
আমি চাই না আমার মতো আর কোনো পরিবার এমন সংকটের মুখোমুখি হোক। কোনো শিশুকে যেন পারিবারিক বিরোধের কারণে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দেওয়া না হয়।
আমি ন্যায়বিচার চাই, প্রতিশোধ নয়। আমি আমার সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ চাই। আমি চাই, সত্যের ভিত্তিতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা দেশবাসীর সামনে উঠে আসুক।
মাহবুব
ভুক্তভোগী ও দুই সন্তানের পিতা
ন্যায়বিচারপ্রার্থী।

7 November 2026

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবের আকুল আবেদন: সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

Spread the love
জনপ্রিয়
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবের আকুল আবেদন: সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবের আকুল আবেদন: সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আমার সাবেক স্ত্রী আফরোজা মনি আমাদের দুই মেয়েকে নিয়ে তাঁর বাবার বাড়ি মাদারীপুর জেলার মাদ্দা গ্রামে যান। সেখানে যাওয়ার কিছুদিন পর থেকেই তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নানা অজুহাতে ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব করতে থাকেন। আমি বারবার স্ত্রী ও সন্তানদের ঢাকায় ফিরে আসার অনুরোধ করলেও বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি এক সপ্তাহের মধ্যে ফিরে আসবেন বলে জানান। কিন্তু সেই এক সপ্তাহ আর শেষ হয়নি।
পরবর্তী সময়ে কয়েক মাস পর আমার দুই সন্তানকে আমার কাছে রেখে যান তাঁর বাবা-মা। তাঁরা জানান, তাঁদের মেয়ে অসুস্থ এবং সুস্থ হতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। তাই সন্তান দুটিকে যেন আমি দেখাশোনা করি।
বিষয়টি নিয়ে আমার মনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে পারিবারিক ও অন্যান্য সূত্র থেকে কিছু তথ্য জানতে পারি, যা আমার সংসারজীবনকে আরও জটিল করে তোলে। আমার অভিযোগ, এর আগেও আমার সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে ইতালি প্রবাসী দুই ব্যক্তির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছিল। সে বিষয়ে আমার কাছে কিছু তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করছি। পারিবারিকভাবে একাধিকবার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেও সফল হতে পারিনি।
এদিকে আমার অভিযোগ, সাবেক স্ত্রী বাবার বাড়িতে যাওয়ার সময় আমার দেওয়া প্রায় ছয় ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ দুই লাখ টাকা এবং ১২ লাখ টাকার একটি চেক নিয়ে যান। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে জানতে পেরে আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি।
পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে যখন ডাকযোগে আমার বাসায় তালাকনামা পৌঁছায়। আমার বড় মেয়ে চিঠিটি গ্রহণ করে। পরে জানতে পারি, আমার সাবেক স্ত্রী আফরোজা মনি বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা খাইরুল হাসানের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বর্তমানে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত বলে আমি জানতে পেরেছি। তাঁদের বিয়ের প্রস্তুতি চলছে বলেও বিভিন্ন সূত্রে তথ্য পেয়েছি।
বিষয়টি নিয়ে আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি। আমার অভিযোগ, এ সময় খাইরুল হাসান, আফরোজা মনি এবং তাঁর বাবা আবুল হোসেন মোল্লা ও মা বিউটি বেগমের পক্ষ থেকে আমাকে ও আমার সন্তানদের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি আমাকে জেলহাজতে পাঠানোর ভয় দেখানো হয়েছে বলেও আমার অভিযোগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছি, সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে ঘোরাফেরা এবং বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টে যাতায়াতের অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
খাইরুল হাসানের পূর্ববর্তী দাম্পত্য জীবন নিয়েও কিছু অভিযোগ আমার কাছে এসেছে। তবে এসব বিষয়ও যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
আজ আমার সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো, আমার দুটি সন্তান—একজন মাত্র চার বছরের এবং অন্যজন ১৬ বছরের—তাদের পারিবারিক জীবনে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। একজন বাবা হিসেবে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমার ব্যক্তিগত জীবনের এই সংকট যেন আমার সন্তানদের জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে না দেয়।

আমার আকুল আবেদন

আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাছে বিনীতভাবে কয়েকটি দাবি জানাচ্ছি—
১. সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাইরুল হাসানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হোক।
২. সরকারি পদ, ক্ষমতা ও সরকারি যানবাহনের অপব্যবহারের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
৩. আমাকে ও আমার সন্তানদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
৪. আমার সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন, স্বর্ণালংকার ও চেকসংক্রান্ত অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।
৫. আমার দুই সন্তানের অধিকার, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
আমি কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চাই না। আমি চাই সত্য উদ্ঘাটিত হোক, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
একজন অসহায় বাবা হিসেবে আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন, আমার এই কষ্ট, আমার সন্তানদের ভবিষ্যৎ এবং ন্যায়বিচারের দাবিটি আপনাদের গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরুন।
আমি চাই না আমার মতো আর কোনো পরিবার এমন সংকটের মুখোমুখি হোক। কোনো শিশুকে যেন পারিবারিক বিরোধের কারণে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দেওয়া না হয়।
আমি ন্যায়বিচার চাই, প্রতিশোধ নয়। আমি আমার সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ চাই। আমি চাই, সত্যের ভিত্তিতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা দেশবাসীর সামনে উঠে আসুক।
মাহবুব
ভুক্তভোগী ও দুই সন্তানের পিতা
ন্যায়বিচারপ্রার্থী।

7 November 2026

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবের আকুল আবেদন: সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

Spread the love