মৌলভীবাজারে সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীবাহিনীর কর্মকা-ের অভিযোগে বাড়ছে জনমনে আতঙ্ক। পাড়া-মহল্লা থেকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে দলবদ্ধ আড্ডা, মারামারি, ছিনতাই ও হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। তবে মৌলভীবাজার কিশোর গ্যাং বলতে কিছুই নেই বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার।
২০২৫ সালের এপ্রিলে পৌরসভা প্রাঙ্গণে ছুরিকাঘাতে আইনজীবী সুজন নিহত হওয়ার পর থেকে একের পর এক সহিংসতার অভিযোগ উঠছে। সর্বশেষ গত ১২ আগস্ট চৌমহনা-কুসুমবাগ সড়কে হামলায় গুরুতর আহত হন এক মাদ্রাসাছাত্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট, বিশেষ করে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনের ওয়াকওয়ে এলাকায় দলবদ্ধভাবে অবস্থান করে একটি চক্র। তাদের বিরুদ্ধে পথচারীদের হয়রানি, ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে। কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে দফায় দফায় মানববন্দন হচ্ছে জেলা জুড়ে।
পরিবেশবাদী ও সমাজকর্মীরা বলেন মৌলভীবাজার শহরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড গুলো ঘটায় শহরে শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। কয়েক মাস যাবত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক অবস্থায় রয়েছে, শহরে আন্ডার এইজ ছেলেরা প্রকাশে যাকে পাচ্ছে তাকে কুপাচ্ছে।
এদিকে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন মৌলভীবাজার কিশোর গ্যাং বলতে কিছুই নেই। “সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোয় অভিযুক্তদের বয়স ২০ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে। আমরা সন্ত্রাসী কর্মকা-ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অভিযোগ আর আশ্বাসের বাইরে গিয়ে অপরাধীদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা ব্যক্তি ও অস্ত্রের উৎস চিহ্নিত করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি স্থানীয়দের। তাদের প্রত্যাশা সমন্বিত উদ্যোগে আবারও নিরাপদ ও শান্তির শহরে ফিরবে মৌলভীবাজার।
আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার থেকে।
30 September 2026






















