০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসির পেনাল্টি মিসের হতাশা উড়িয়ে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

  • আপডেট সময় : ০১:২০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • 93

মেসির পেনাল্টি মিসের হতাশা উড়িয়ে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

খেলাধুলা ডেস্ক: ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি মিস করে সমর্থকদের হতাশায় ডুবিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তবে সেই ধাক্কা সামলে নিয়ে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। নিজের জোড়া গোলে নতুন ইতিহাস গড়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে নিয়ে গেলেন বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এ। অস্ট্রিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে আলবিসেলেস্তেরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল আর্জেন্টিনা। তৃতীয় মিনিটেই লাউতারো মার্টিনেজ প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে ঢুকে পড়লে অস্ট্রিয়ার শ্লাগার ও পশের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যান। রেফারি প্রথমে পেনাল্টি না দিলেও পরবর্তীতে ভিএআর (VAR) স্ক্রিন পরীক্ষা করে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত জানান। অষ্টম মিনিটে পেনাল্টি শট নিতে আসেন মেসি। গোল করলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সুযোগ ছিল তাঁর সামনে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে শটটি পোস্টের ডান দিক দিয়ে বাইরে মেরে দেন মেসি। অস্ট্রিয়ান গোলরক্ষক সঠিক দিক অনুমান করতে পারলেও তাঁকে কোনো সেভ করতে হয়নি। পেনাল্টি মিসের পর কিছুক্ষণের জন্য ভেঙে পড়েছিলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।

২১ মিনিটে আবারও সুযোগ আসে মেসির সামনে। কাট-ইন করে ডি-বক্সে ঢুকলেও অস্ট্রিয়ার ডেভিড আলাবা পেছন থেকে বল ছুঁয়ে দিলে তা শ্লাগারের গায়ে লেগে বিপদমুক্ত হয়। ফলে হাইড্রেশন ব্রেকের আগে হতাশা জেঁকে বসে আর্জেন্টিনা শিবিরে। ৩৩ মিনিটে ফের্নান্দেসের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি পাস আটকে দেন অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক শ্লাগার। তবে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি তা সরাসরি মেসির পায়ে ঠেলে দেন। ফাঁকা পোস্টে মেসি শট নিলেও গোললাইনে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত গোল ব্লক করে দেন আলাবা।

অবশেষে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বাম দিক থেকে আর্জেন্টিনার আক্রমণের সূত্রপাত করে পেনাল্টি বক্সের প্রান্ত থেকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান মেসি। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১৭তম গোল পূর্ণ করে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যান তিনি। মেসির এই রেকর্ড গড়া গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধেও অস্ট্রিয়ার ওপর চাপ ধরে রাখে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ৬৩ মিনিটে ফের্নান্দেসের একটি জোরালো শট ব্লক করেন অস্ট্রিয়ার ডিফেন্ডার। ৭৪ মিনিটে মেসির চমৎকার কর্নার কিক থেকে গঞ্জালেসের নেওয়া দুর্দান্ত হেডটি পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। ম্যাচের শেষভাগে ব্যবধান বাড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। ৮৭ মিনিটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন গঞ্জালেস, কিন্তু অস্ট্রিয়ার ডি-বক্সের ভেতর তাঁর নেওয়া শটটি ডিফেন্ডাররা ব্লক করে দেন। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।

3 November 2026

মেসির পেনাল্টি মিসের হতাশা উড়িয়ে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

Spread the love
জনপ্রিয়
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত

টানবাজারে বন্ডের কেমিক্যাল কালোবাজারি: গুদাম সিলগালা, জব্দ ৮১.৬ টন

মেসির পেনাল্টি মিসের হতাশা উড়িয়ে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

আপডেট সময় : ০১:২০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

খেলাধুলা ডেস্ক: ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি মিস করে সমর্থকদের হতাশায় ডুবিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তবে সেই ধাক্কা সামলে নিয়ে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। নিজের জোড়া গোলে নতুন ইতিহাস গড়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে নিয়ে গেলেন বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এ। অস্ট্রিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে আলবিসেলেস্তেরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল আর্জেন্টিনা। তৃতীয় মিনিটেই লাউতারো মার্টিনেজ প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে ঢুকে পড়লে অস্ট্রিয়ার শ্লাগার ও পশের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যান। রেফারি প্রথমে পেনাল্টি না দিলেও পরবর্তীতে ভিএআর (VAR) স্ক্রিন পরীক্ষা করে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত জানান। অষ্টম মিনিটে পেনাল্টি শট নিতে আসেন মেসি। গোল করলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সুযোগ ছিল তাঁর সামনে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে শটটি পোস্টের ডান দিক দিয়ে বাইরে মেরে দেন মেসি। অস্ট্রিয়ান গোলরক্ষক সঠিক দিক অনুমান করতে পারলেও তাঁকে কোনো সেভ করতে হয়নি। পেনাল্টি মিসের পর কিছুক্ষণের জন্য ভেঙে পড়েছিলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।

২১ মিনিটে আবারও সুযোগ আসে মেসির সামনে। কাট-ইন করে ডি-বক্সে ঢুকলেও অস্ট্রিয়ার ডেভিড আলাবা পেছন থেকে বল ছুঁয়ে দিলে তা শ্লাগারের গায়ে লেগে বিপদমুক্ত হয়। ফলে হাইড্রেশন ব্রেকের আগে হতাশা জেঁকে বসে আর্জেন্টিনা শিবিরে। ৩৩ মিনিটে ফের্নান্দেসের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি পাস আটকে দেন অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক শ্লাগার। তবে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি তা সরাসরি মেসির পায়ে ঠেলে দেন। ফাঁকা পোস্টে মেসি শট নিলেও গোললাইনে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত গোল ব্লক করে দেন আলাবা।

অবশেষে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বাম দিক থেকে আর্জেন্টিনার আক্রমণের সূত্রপাত করে পেনাল্টি বক্সের প্রান্ত থেকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান মেসি। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১৭তম গোল পূর্ণ করে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যান তিনি। মেসির এই রেকর্ড গড়া গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধেও অস্ট্রিয়ার ওপর চাপ ধরে রাখে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ৬৩ মিনিটে ফের্নান্দেসের একটি জোরালো শট ব্লক করেন অস্ট্রিয়ার ডিফেন্ডার। ৭৪ মিনিটে মেসির চমৎকার কর্নার কিক থেকে গঞ্জালেসের নেওয়া দুর্দান্ত হেডটি পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। ম্যাচের শেষভাগে ব্যবধান বাড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। ৮৭ মিনিটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন গঞ্জালেস, কিন্তু অস্ট্রিয়ার ডি-বক্সের ভেতর তাঁর নেওয়া শটটি ডিফেন্ডাররা ব্লক করে দেন। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।

3 November 2026

মেসির পেনাল্টি মিসের হতাশা উড়িয়ে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

Spread the love