সাভার থানার মধুমতি টাউন এলাকায় প্রায় ৫০০টি গাড়ির উপস্থিতি এবং এগুলোর কাগজপত্র ও টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে নানা অনিয়ম ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তথ্যসূত্রে জানা যায়, গাড়ির বিপুল এই মজুত সম্পর্কে সেখানকার দায়িত্বরত ম্যানেজারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি দাবি করেন, গাড়িগুলো নিয়মতান্ত্রিক টেন্ডারের মাধ্যমেই আনা হয়েছে এবং সবগুলোর বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তবে কাগজপত্র দেখানোর অনুরোধ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন। সাক্ষাৎকার চলাকালে ম্যানেজার আরও একটি গুরুতর অভিযোগ তোলেন; তিনি দাবি করেন যে ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচালনায় এই প্রক্রিয়াটি চলছে, তাঁর অধীনস্থ কমিটির সভাপতি নিজেই এই ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। যদিও এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি, সার্বিক পরিস্থিতিতে গাড়িগুলোর আসল উৎস, স্বত্বাধিকার এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জোরদার হচ্ছে।






















