মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্ত এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও যোগাযোগপথে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে জেলা প্রশাসন, বিজিবি, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া একটি সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় অসাধু চক্রের তৎপরতা রোধে মহাসড়ক, রেলপথ ও অন্যান্য প্রবেশপথে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে শুধু অভিযান নয়, বরং পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত সামাজিক সচেতনতা এবং সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতার ওপর জোর দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদের প্রধান লক্ষ্য হলো এর সম্পদ রক্ষা, আয় বৃদ্ধি এবং অর্জিত অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা। দীর্ঘদিন অবহেলিত ও বেহাত হওয়া সম্পত্তি তালিকাভুক্ত করে আইনগতভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি আধুনিক বহুমুখী ১০ তলা কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই ভবনে পার্কিং, কমিউনিটি সেন্টার, ভাড়ার জন্য অফিস স্পেস, আবাসিক স্যুট, সুইমিং পুল এবং সর্বোচ্চ তলায় আধুনিক রেস্টুরেন্ট থাকবে, যা বাস্তবায়িত হলে পরিষদের রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
দলীয় স্মৃতি ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সিরাজুল ইসলাম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলীয় দায়িত্ব পালন এবং বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে কাজ করার সুযোগ তাঁর রাজনৈতিক জীবনকে সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমানে প্রাপ্ত প্রশাসনিক দায়িত্বের মাধ্যমে স্থবিরতা দূর করার পাশাপশি, ভবিষ্যতে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে আরও বৃহৎ পরিসরে জনকল্যাণ ও গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।






















