যে বেকার তরুণ-তরুণীদের ক্ষোভকে কেন্দ্র করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ত্বরান্বিত হয়েছিল, অন্তর্বর্তীকালীন কিংবা বর্তমান নির্বাচিত—কোনো সরকারই তাঁদের কর্মসংস্থানে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সামনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি) আয়োজিত ‘জুলাই তো হইলো, কিন্তু চাকরি পাইলো কয়জন?’ শীর্ষক এক আত্মপর্যালোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় জেডিপির আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ মন্তব্য করেন যে, প্রত্যাশিত কর্মসংস্থান না পেয়ে বেকার তরুণ-তরুণীরা এখনও ‘আওয়ামী কাল্টের’ বিরুদ্ধে অসম লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি বিদেশি দূতাবাসগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলে বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশের শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা অনুযায়ী ‘কো-অপারেটিভ এডুকেশন’ ব্যবস্থা চালু এবং দীর্ঘমেয়াদে কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম অভিযোগ করেন, সরকার রাষ্ট্র সংস্কার ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও বর্তমানে জুলাইয়ের আহত, শহীদ, বেকার তরুণ এবং প্রান্তিক মানুষকে ভুলে গেছে। তারা সংবিধানের পূর্ণ সংস্কার না করে সংশোধনীর মাধ্যমে সময়ক্ষেপণ করছে এবং বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে ব্যাংক লুটেরাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি, বিদ্যুৎ, তেল ও ওষুধের দাম বাড়িয়ে সরকার জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। অবিলম্বে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংসদ ভবন ঘেরাও করার কড়া হুঁশিয়ারি দেন তিনি। জেডিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মাহতাব হোসেন সাব্বিরের সঞ্চালনায় উক্ত আত্মপর্যালোচনা সভায় অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা বক্তব্য প্রদান করেন।






















