চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কন্টেইনার জট নিরসন, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে আগামী জুলাই-২০২৬ মাসে ই-অকশন (ইলেকট্রনিক নিলাম) পদ্ধতিতে ১৬৮ কন্টেইনার পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ডিজিটাল রূপান্তর ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের অংশ হিসেবে সম্পূর্ণ অনলাইন প্রক্রিয়ায় এই নিলাম কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এবারের নিলামটি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে কোনো কোনো চালানে কোনো সংরক্ষিত মূল্য (রিজার্ভ ভ্যালু) থাকছে না।ডিজিটাল নিলামের সময়সূচি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:## চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ই-অকশন জুলাই-২০২৬মোট পণ্যের পরিমাণ: ১৬৮ কন্টেইনার (মোট ১৩১টি লট)।অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টাল: auction.bdcustoms.gov.bdঅংশগ্রহণের নিয়ম: আগ্রহী ক্রেতাগণকে পোর্টালে নিবন্ধন করে অনলাইনে বিড করতে হবে। অনলাইন বিডিংয়ের সময় প্রস্তাবিত দরমূল্যের ন্যূনতম ১০% জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।খালাস প্রক্রিয়া: সর্বোচ্চ দরদাতাগণকে ‘আমদানী নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪’ এর প্রযোজ্য শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে পণ্য খালাস করতে হবে।### নিলামের বিবরণ ও সময়সূচিবিবরণীই-অকশন নং-০৭/২০২৬বিশেষ ই-অকশন নং-০৮/২০২৬পণ্যের পরিমাণ ও লট৫৫টি লটে মোট ৭৫ কন্টেইনার পণ্য।৭৬টি লটে মোট ৯৩ কন্টেইনার পণ্য।প্রধান পণ্যসমূহক্যাপিটাল মেশিনারিজ, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট, এলিভেটর, এয়ার ফিল্টার, ক্রাফট লাইনার পেপার, লবণ ইত্যাদি।বিভিন্ন কেমিক্যাল, বিটুমিন, যন্ত্রপাতি-যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক সিট, চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, কাপড়, কাগজ ও গৃহস্থালি পণ্য ইত্যাদি।সংরক্ষিত মূল্য (Reserve Value)নিয়মানুযায়ী নির্ধারিত।কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না।সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শন১৩ জুলাই থেকে ২০ জুলাই, ২০২৬ (অফিস চলাকালে)১৬ জুলাই থেকে ২৩ জুলাই, ২০২৬ (অফিস চলাকালে)অনলাইনে দরপত্র দাখিল১২ জুলাই থেকে ২২ জুলাই, ২০২৬ (বিকেল ০৩:০০ টা পর্যন্ত)১৪ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২৬ (বিকেল ০৩:০০ টা পর্যন্ত)দরপত্র বাক্স উন্মুক্তকরণ২২ জুলাই, ২০২৬ (দুপুর ০৩:৩০ ঘটিকায়)২৭ জুলাই, ২০২৬ (সকাল ১১:০০ ঘটিকায়)বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিলাম সংক্রান্ত যেকোনো বিস্তারিত তথ্য ও নির্দেশনাবলি জানতে আগ্রহী বিডারদের কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টাল পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা করছে, প্রযুক্তিনির্ভর এই আধুনিক নিলাম প্রক্রিয়া চট্টগ্রাম বন্দরের সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।






















