ইরান যে “ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান সমাপ্ত” ঘোষণা করেছে, সেটি মূলত সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত। তবে তেহরান একইসঙ্গে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইসরায়েল যদি লেবাননে, বিশেষ করে হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যায়, তাহলে আরও “কঠোর” ও “ধ্বংসাত্মক” জবাব দেওয়া হবে।
কী ঘটেছিল?
- ইসরায়েলের বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননে হামলার পর ইরান সরাসরি ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এটি গত কয়েক মাসের মধ্যে দুই দেশের সবচেয়ে বড় সরাসরি সামরিক মুখোমুখি অবস্থানগুলোর একটি।
- পরে ইরানের সামরিক কমান্ড ঘোষণা করে যে তাদের বর্তমান অভিযান শেষ হয়েছে। তবে তারা সতর্ক করে দেয়, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে নতুন ও আরও শক্তিশালী হামলা চালানো হবে।
ইরানের সতর্ক বার্তার মূল বিষয়
ইরানের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ করলেও এটিকে স্থায়ী শান্তি হিসেবে দেখা যাবে না। তাদের দাবি, লেবানন এখন একটি “রেড লাইন” বা সীমারেখা, যা অতিক্রম করলে তারা পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নেবে।
ইসরায়েলের অবস্থান
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu জানিয়েছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে আপাতত আগুন বন্ধ রাখা হবে, তবে লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে অভিযান চালানো হতে পারে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump উভয় পক্ষকে উত্তেজনা না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মধ্যস্থতায় সাময়িকভাবে দুই দেশ সরাসরি হামলা বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
এখন পরিস্থিতি কেমন?
বর্তমানে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি হামলা বন্ধ থাকলেও লেবাননকে ঘিরে উত্তেজনা রয়ে গেছে। দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় এখনও ইসরায়েলি অভিযান চলছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা নতুন করে সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে।
সংক্ষেপে, ইরান হামলা বন্ধ করেছে, কিন্তু এটি কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি নয়। লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে নতুন করে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা এখনও রয়েছে।




















