মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওপর ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুলাই) রাত ৮টা বা ইরানের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৩টা থেকে এই অভিযান শুরু হয়। মিশর উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন একটি এলএনজি ট্যাংকারে ড্রোন হামলার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুব কঠোর’ জবাব দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
হামলার পর দক্ষিণ ইরানের কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা অঞ্চল। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এবং আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, খুজেস্তান প্রদেশের আবাদান শহর এবং ইরানের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সমৃদ্ধ বুশেহর প্রদেশে বেশ কয়েকটি স্থাপনা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া হরমোজগান প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসসহ আবু মুসা, কিশ ও কেশম দ্বীপে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়, কেশম দ্বীপের আবাসিক এলাকায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর মেলেনি। তবে হরমোজগান প্রদেশের প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, সিরিক শহরে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছানোর পর এই পাল্টাপাল্টি সামরিক অভিযান গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি করেছে।






















