০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে গোসল করতে গিয়ে কারেন্টের শক খেয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে গোসল করতে গিয়ে কারেন্টের শক খেয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে গোসল করতে গিয়ে কারেন্টের শক খেয়ে পানিতে পড়ে স্কুল পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ১১ আগস্ট দুপুরে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নে বধুনগর গ্রামে একটি খালে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে নিখোঁজ হওয়া ৫ঘন্টা পর রাত ৭টা ২০ মিনিটে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত শিক্ষার্থী বধুনগর গ্রামের প্রবাসী নজরুল মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ মিয়া (১১)। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কর্মীদের টিম লিডার তোফাজ্জল হোসেন।
টিম লিডার বলেন, মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে সহপাঠীদের নিয়ে বাড়ির পাশে খালে গোসলে করতে আসেন আব্দুল্লাহ মিয়া। এসময় তারা বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে গোসল করছিল। খুঁটিতে তখন কারেন্ট ছিল না। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে আসলে আব্দুল্লাহ মিয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পানিতে পড়ে যায়। সহপাঠীদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আব্দুল্লাহকে খুঁজতে থাকে। না পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা গিয়ে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৫ ঘণ্টাপর মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে৷
এ বিষয়ে নিহতের আত্মীয় মাসুম মিয়া বলেন, আব্দুল্লাহসহ চারজন বধুনগর খালে গোসল করছিল। অপর দিকে বিদ্যুৎ অফিস থেকে লোকজন এসে বিদ্যুতের মেরামত কাজ করছিল। তখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে রাখা ছিল। হঠাৎ বিদ্যুৎ অফিস থেকে লাইন দিয়ে দিলে চারজনই বিদ্যুৎ অনুভব করে। এদের মধ্যে তিনজন বেঁচে ফিরলেও আব্দুল্লাহ শক খেয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, আব্দুল্লাহ পরিবারের ছোট ছেলে। স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে লেখাপড়া করতো। তার বড় ভাই ও বোন রয়েছে। তার বাবা ও বড় ভাই সৌদী আরবে থাকে।
নিহতের বোন জামাই রাজু মিয়া বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতির কারণে আমার শ্যালক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পানিতে পড়ে মৃত্যু হয়েছে। তার কাজ করে যাওয়ার পর খুঁটিতে কীভাবে কারেন্ট আসে। তাদের গাফিলতির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, পানি পড়ে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ নেয়া ব্যবস্থা করছি।

4 November 2026

বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে গোসল করতে গিয়ে কারেন্টের শক খেয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

Spread the love
জনপ্রিয়
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত
গ্রামীণফোনের ৯ মাসের মুনাফায় পতন, তৃতীয় প্রান্তিকে আয় অপরিবর্তিত

ইসরাইলে কাটেনি রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনে দলগুলোর সঙ্গে প্রেসিডেন্টের বৈঠক শুরু

বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে গোসল করতে গিয়ে কারেন্টের শক খেয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে গোসল করতে গিয়ে কারেন্টের শক খেয়ে পানিতে পড়ে স্কুল পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ১১ আগস্ট দুপুরে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নে বধুনগর গ্রামে একটি খালে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে নিখোঁজ হওয়া ৫ঘন্টা পর রাত ৭টা ২০ মিনিটে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত শিক্ষার্থী বধুনগর গ্রামের প্রবাসী নজরুল মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ মিয়া (১১)। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কর্মীদের টিম লিডার তোফাজ্জল হোসেন।
টিম লিডার বলেন, মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে সহপাঠীদের নিয়ে বাড়ির পাশে খালে গোসলে করতে আসেন আব্দুল্লাহ মিয়া। এসময় তারা বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে গোসল করছিল। খুঁটিতে তখন কারেন্ট ছিল না। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে আসলে আব্দুল্লাহ মিয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পানিতে পড়ে যায়। সহপাঠীদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আব্দুল্লাহকে খুঁজতে থাকে। না পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা গিয়ে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৫ ঘণ্টাপর মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে৷
এ বিষয়ে নিহতের আত্মীয় মাসুম মিয়া বলেন, আব্দুল্লাহসহ চারজন বধুনগর খালে গোসল করছিল। অপর দিকে বিদ্যুৎ অফিস থেকে লোকজন এসে বিদ্যুতের মেরামত কাজ করছিল। তখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে রাখা ছিল। হঠাৎ বিদ্যুৎ অফিস থেকে লাইন দিয়ে দিলে চারজনই বিদ্যুৎ অনুভব করে। এদের মধ্যে তিনজন বেঁচে ফিরলেও আব্দুল্লাহ শক খেয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, আব্দুল্লাহ পরিবারের ছোট ছেলে। স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে লেখাপড়া করতো। তার বড় ভাই ও বোন রয়েছে। তার বাবা ও বড় ভাই সৌদী আরবে থাকে।
নিহতের বোন জামাই রাজু মিয়া বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতির কারণে আমার শ্যালক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পানিতে পড়ে মৃত্যু হয়েছে। তার কাজ করে যাওয়ার পর খুঁটিতে কীভাবে কারেন্ট আসে। তাদের গাফিলতির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, পানি পড়ে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ নেয়া ব্যবস্থা করছি।

4 November 2026

বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে গোসল করতে গিয়ে কারেন্টের শক খেয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

Spread the love