চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) জ্বালানি তেল ও বিলাসবহুল পণ্য আমদানির ওপর ভিত্তি করে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ। এর মধ্যে শুধু অক্টোবর মাসেই আয় হয়েছে ৫ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত ৪২ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এই অর্জন কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
রাজস্ব আদায়ের এই ধারায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কেবল জ্বালানি তেল আমদানির শুল্ক বাবদই বিপিসি থেকে চার মাসে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা রাজস্ব এসেছে। মূলত জ্বালানি, শিল্প কারখানার আমদানি মেশিনারিজ এবং বিলাসবহুল ভোগ্যপণ্য থেকেই এই রাজস্ব অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে বন্দরটি ১১ লাখ ৪১ হাজার ১৭৯ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছে, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম। তবে কার্গো হ্যান্ডলিং (৪ কোটি ৫৩ লাখ মেট্রিক টন) এবং জাহাজ ভেড়ানোর (১ হাজার ৪২৫টি) ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। সার্বিকভাবে কার্গো, কনটেইনার ও জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ে ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
ব্যবসায়ী নেতারা মনে করেন, ব্যাংক খাতের সমস্যা দূর হওয়া এবং পাইকারি বাজারগুলোতে ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীল হওয়ায় এলসি ও ব্যাংকিং জটিলতা কাটতে শুরু করেছে। ঢাকার বাবুবাজার ও চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের মতো বড় বাজারগুলোতে কেনাবেচা বাড়লে আমদানি-রপ্তানি আরও গতিশীল হবে এবং নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) জ্বালানি তেল ও বিলাসবহুল পণ্য আমদানির ওপর ভিত্তি করে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ। এর মধ্যে শুধু অক্টোবর মাসেই আয় হয়েছে ৫ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত ৪২ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এই অর্জন কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
রাজস্ব আদায়ের এই ধারায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কেবল জ্বালানি তেল আমদানির শুল্ক বাবদই বিপিসি থেকে চার মাসে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা রাজস্ব এসেছে। মূলত জ্বালানি, শিল্প কারখানার আমদানি মেশিনারিজ এবং বিলাসবহুল ভোগ্যপণ্য থেকেই এই রাজস্ব অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে বন্দরটি ১১ লাখ ৪১ হাজার ১৭৯ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছে, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম। তবে কার্গো হ্যান্ডলিং (৪ কোটি ৫৩ লাখ মেট্রিক টন) এবং জাহাজ ভেড়ানোর (১ হাজার ৪২৫টি) ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। সার্বিকভাবে কার্গো, কনটেইনার ও জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ে ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
ব্যবসায়ী নেতারা মনে করেন, ব্যাংক খাতের সমস্যা দূর হওয়া এবং পাইকারি বাজারগুলোতে ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীল হওয়ায় এলসি ও ব্যাংকিং জটিলতা কাটতে শুরু করেছে। ঢাকার বাবুবাজার ও চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের মতো বড় বাজারগুলোতে কেনাবেচা বাড়লে আমদানি-রপ্তানি আরও গতিশীল হবে এবং নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।





















