রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে চরম বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের সাথে পরামর্শ করে এই কমিটি গঠন করার কথা থাকলেও, তা তোয়াক্কা করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মেজবাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে একক সিদ্ধান্তে অদক্ষ ও অযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে এ কমিটি সাজানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বিশেষ করে, নবাগত সেলিম হাসান নামে এক ব্যক্তিকে কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ‘সদস্য সচিব’ পদ দেওয়া নিয়ে সবচেয়ে বেশি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা। ব্যক্তিজীবনে সেলিম হাসান ক্রীড়া সংক্রান্ত কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করেছে এমন নজীর কোথাও নাই। এছাড়াও রাজনৈতিক বিতর্কে রয়েছেন তিনি। তারপরও নিয়মনীতির কোন তোয়াক্কা না করেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কালুখালীর এক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব নজরুল ইসলাম জানান, ক্রীড়া সংস্থার ‘সদস্য সচিব’ পদটি কোনো উপহারের পদ নয়; এটি একটি উপজেলার পুরো খেলাধুলার চালিকাশক্তি। সেলিম হাসানের মতো যার খেলাধুলার সাথে ন্যূনতম সম্পৃক্ততা নেই, তাকে কোন যোগ্যতায় এমন পদে বসানো হলো? পেশাদার ক্রীড়াবিদদের অপমান করে এ ধরনের মনগড়া সিদ্ধান্ত আমরা কালুখালীর ক্রীড়ামোদী জনগণ কখনো মেনে নেব না।
তিনি বলেন, আমরা ভেবেছিলাম নতুন অ্যাডহক কমিটি এলে কালুখালীর ঝিমিয়ে পড়া টুর্নামেন্টগুলো আবার প্রাণ ফিরে পাবে। কিন্তু ইউএনও সাহেবের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত আমাদের চরম হতাশ করেছে। অভিজ্ঞদের বাদ দিয়ে অদক্ষদের বসানো এই প্রহসনের কমিটি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
স্থানীয় ক্রীড়াবিদদের মতে, উক্ত পদে দায়িত্ব পালনের মতো পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা বা যোগ্যতা তাঁর নেই। ইউএনও নিজের ইচ্ছেমতো যোগ্যদের বাদ দিয়ে অপেশাদার লোক বসানোয় উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। দ্রুত এই বিতর্কিত কমিটি বাতিল করে অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদদের সমন্বয়ে নতুন কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ ক্রীড়ামোদী মহল।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেজবাহ উদ্দিনের সরকারি নাম্বারে ফোন কলে কথা বললে এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে চান না তিনি। তিনি অফিসে আসতে বলেন।






















