০৫:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যবসায়িক লেনদেনে কড়াকড়ি: বাধ্যতামূলক হচ্ছে বিআইএন

  • আপডেট সময় : ০১:০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • 95

ব্যবসায়িক লেনদেনে কড়াকড়ি: বাধ্যতামূলক হচ্ছে বিআইএন

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক হিসাব, শর্ট টার্ম ডিপোজিট (এসটিডি) হিসাব, ঋণ এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট পরিচালনায় বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই বিধান দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি বিভাগে (বিআরপিডি) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারির অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
নতুন আইনি বিধান ও বাধ্যবাধকতা

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, অর্থ আইন-২০২৬ এর মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এ নতুন একটি উপধারা সংযোজন করা হয়েছে। এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব কিংবা এসটিডি হিসাব খুলতে বা পরিচালনা করতে চাইলে বিআইএন (BIN) অথবা তালিকাভুক্তির প্রমাণপত্র দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
যেসব ক্ষেত্রে বিআইএন (BIN) প্রযোজ্য হবে:

নতুন এই নিয়ম শুধুমাত্র ব্যাংক হিসাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও প্রশাসনিক সেবার ক্ষেত্রেও এটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে:

ব্যবসায়িক চলতি ও এসটিডি হিসাব খোলা বা পরিচালনা

নতুন ঋণ গ্রহণ

এমএফএস (MFS) মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা

নতুন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ গ্রহণ

প্রতিষ্ঠানের নামে মোটরযান নিবন্ধন

চলমান হিসাবগুলোর জন্য করণীয়

এনবিআর জানিয়েছে, শুধুমাত্র নতুন হিসাব খোলার ক্ষেত্রেই নয়, বরং বর্তমানে সচল থাকা সব ব্যবসায়িক চলতি হিসাব, এসটিডি হিসাব, ঋণ হিসাব এবং এমএফএস মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিআইএন সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। এই লক্ষ্যেই তফসিলি ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
উদ্যোগের মূল লক্ষ্য

চলতি অর্থবছরের অর্থ আইনের মাধ্যমে নেওয়া এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের কর নেট সম্প্রসারণ এবং ভ্যাট নিবন্ধনের আওতা বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভ্যাট ফাঁকি রোধ করা অনেক সহজ হবে বলে আশা করছে এনবিআর।

1 October 2026

ব্যবসায়িক লেনদেনে কড়াকড়ি: বাধ্যতামূলক হচ্ছে বিআইএন

Spread the love

খেলনা ঘোষণায় আমদানি, কমলাপুরে প্রায় কোটি টাকার ড্রোন জব্দ

ব্যবসায়িক লেনদেনে কড়াকড়ি: বাধ্যতামূলক হচ্ছে বিআইএন

আপডেট সময় : ০১:০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক হিসাব, শর্ট টার্ম ডিপোজিট (এসটিডি) হিসাব, ঋণ এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট পরিচালনায় বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই বিধান দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি বিভাগে (বিআরপিডি) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারির অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
নতুন আইনি বিধান ও বাধ্যবাধকতা

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, অর্থ আইন-২০২৬ এর মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এ নতুন একটি উপধারা সংযোজন করা হয়েছে। এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব কিংবা এসটিডি হিসাব খুলতে বা পরিচালনা করতে চাইলে বিআইএন (BIN) অথবা তালিকাভুক্তির প্রমাণপত্র দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
যেসব ক্ষেত্রে বিআইএন (BIN) প্রযোজ্য হবে:

নতুন এই নিয়ম শুধুমাত্র ব্যাংক হিসাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও প্রশাসনিক সেবার ক্ষেত্রেও এটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে:

ব্যবসায়িক চলতি ও এসটিডি হিসাব খোলা বা পরিচালনা

নতুন ঋণ গ্রহণ

এমএফএস (MFS) মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা

নতুন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ গ্রহণ

প্রতিষ্ঠানের নামে মোটরযান নিবন্ধন

চলমান হিসাবগুলোর জন্য করণীয়

এনবিআর জানিয়েছে, শুধুমাত্র নতুন হিসাব খোলার ক্ষেত্রেই নয়, বরং বর্তমানে সচল থাকা সব ব্যবসায়িক চলতি হিসাব, এসটিডি হিসাব, ঋণ হিসাব এবং এমএফএস মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিআইএন সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। এই লক্ষ্যেই তফসিলি ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
উদ্যোগের মূল লক্ষ্য

চলতি অর্থবছরের অর্থ আইনের মাধ্যমে নেওয়া এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের কর নেট সম্প্রসারণ এবং ভ্যাট নিবন্ধনের আওতা বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভ্যাট ফাঁকি রোধ করা অনেক সহজ হবে বলে আশা করছে এনবিআর।

1 October 2026

ব্যবসায়িক লেনদেনে কড়াকড়ি: বাধ্যতামূলক হচ্ছে বিআইএন

Spread the love