এলপিজির বাজারে চলা দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা ও কৃত্রিম সংকটের কারণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্য কার্যকর হচ্ছে না। গত দুই মাসে দুই দফায় দাম ও কমিশন বাড়ালেও খুচরা বাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত ২ হাজার ৬০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখানো হলেও আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্রতি মাসে চাহিদার তুলনায় বেশি (প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন) এলপিজি আমদানি হয়েছে। আমদানিকারকরা সরবরাহ স্বাভাবিক দাবি করে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের দুষলেও, ব্যবসায়ীরা বলছেন ভিন্ন কথা—কোম্পানিগুলো কম সরবরাহ করায় এবং প্ল্যান্ট থেকেই বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হওয়ায় তাঁরা বেশি দামে বিক্রি করতে পারছেন না। ইতোমধ্যে বেশি দামে গ্যাস বিক্রির প্রমাণ মেলায় অন্তত তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিইআরসি, তবে কার্যকর বাজার নিয়ন্ত্রণে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো সুফল দেখছেন না ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।





















