বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্টিলারি রেজিমেন্টের ৪৫তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন, ষষ্ঠ পুনর্মিলনী ও আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।
বুধবার (৪ নভেম্বর) চট্টগ্রামের হালিশহরে অবস্থিত আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, গত ৩ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে রয়েছে আর্টিলারি রেজিমেন্টের ৪৫তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন, ষষ্ঠ পুনর্মিলনী, ১১তম কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান এবং আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন। আগামী ৫ নভেম্বর এসব আয়োজন শেষ হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্টিলারি রেজিমেন্টের অবদান এবং এর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন।
তিনি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গবেষণা, নিজস্ব কৌশল উদ্ভাবন, উন্নত প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা অর্জন ও আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সততা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হবে। পাশাপাশি অস্ত্র ও সরঞ্জামের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, নেতৃত্বের বিকাশ এবং সেনাসদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দেন।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক; ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ও চট্টগ্রাম এরিয়ার এরিয়া কমান্ডারসহ সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া আর্টিলারি রেজিমেন্টে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সদস্য, তাদের পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।





















