দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার রিকশা নিবন্ধনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। মূলত এই যানবাহনগুলোকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনা এবং শৃঙ্খলায় ফেরানোর উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হলেও পরবর্তীতে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করে ইতোমধ্যে গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে।
গেজেট অনুযায়ী, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার রিকশার নিবন্ধন ফি ৮,০০০ টাকা (বার্ষিক নবায়ন ফি ৪,০০০ টাকা) এবং চার যাত্রী ধারণক্ষমতার রিকশার নিবন্ধন ফি ১০,০০০ টাকা (বার্ষিক নবায়ন ফি ৫০০ টাকা) নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া কিউআর কোডযুক্ত ফিটনেস সনদের জন্য অতিরিক্ত ১,০০০ টাকা দিতে হবে। একটি রিকশা সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত চলাচলের অনুমতি পাবে।
নিবন্ধন পেতে বুয়েট (BUET) অনুমোদিত নির্দিষ্ট নকশা অনুযায়ী রিকশা তৈরি বা আগেরগুলোকে রূপান্তর করতে হবে, যা তদারকিতে একটি সাত সদস্যের কমিটি কাজ করবে। অন্যদিকে রাজধানীতে ই-রিকশা চলাচলের জন্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে চারটি করে মোট আটটি আলাদা রঙের জোন নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্দিষ্ট জোনের রিকশা অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না। অননুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার, নিবন্ধন ছাড়া চলাচল, গতিসীমা বা ট্রাফিক আইন অমান্য করা এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহনকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।






















