১১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সালমান মুক্তাদীরের স্টুডিও:ইসিবি নিউগিনি প্রকল্পে হামলা-ভাঙচুর: সাবেক মেজর জেনারেলসহ ১৩ জনের নামে মামলা, এজাহারে যা আছে

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার দক্ষিণ মানিকদীর ইসিবি চত্বর এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদীরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওসহ একটি আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর, গুলি ও লুটপাটের অভিযোগে সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের প্রকল্পে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ বলছে,গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে একজনকে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

মামলায় নাম থাকা অন্য ব্যক্তিরা হলেন— শাহরিয়ার মাহমুদ, মো. আবুল কাশেম, মো. বাবুল হোসেন, মোহাম্মদ শাহিনুজ্জামান, মতিউর রহমান, মজিবুর রহমান, নুরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, এমকে আজাদ, মো. মামুন, মো. আসলাম ও মুন্না।

নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের পক্ষ থেকে মো. সাইফুল ইসলাম ভূইয়া বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করেন।

দুই ট্রাকে লোকজন গিয়ে হামলা

সালমান মুক্তাদীরের অভিযোগ, শনিবার রাতে দুটি ট্রাকে করে লোকজন গিয়ে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। রাত পৌনে দুইটার দিকে স্টুডিওটির ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে তিনি বলেন, কিছুক্ষণ আগে সেখানে হামলা হয়েছে এবং পুরো স্টুডিও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিও পরিচালনা করতেন সালমান মুক্তাদীর।

পুলিশের ভাষ্য, নিউগিনি প্রোপার্টিজের জমির মালিক এবং এলাকার অন্য জমির মালিকদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই বিরোধের সঙ্গে সালমান মুক্তাদীরের স্টুডিওও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এজাহারে হামলা ও ভাঙচুরের বর্ণনা

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গতকাল শনিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে আসামিরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নিউগিনি প্রোপার্টিজের প্রকল্পে প্রবেশ করেন। তাঁদের হাতে পিস্তল, শটগান, রিভলবার, চাপাতি, রামদা, ছুরি, রড ও লাঠিসোঁটা ছিল। তারা কয়েক দফা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।

এ সময় প্রকল্পের শ্রমিক ও নিরাপত্তাকর্মীরা ছোটাছুটি শুরু করেন। হামলাকারীরা প্রকল্পের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. পারভেজকে মারধর করেন। একজন রিভলবারের বাট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। পরে ছুরি দিয়ে তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে, বাম হাত ও পিঠে আঘাত করা হয়।

পারভেজকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে নিরাপত্তাকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলামকেও মারধর করা হয়। তার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি ওয়্যারলেস সেট নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা প্রকল্পের প্রধান ফটকে গুলি করে লোহার গেট, থাইগ্লাস ও কাঁচের গেট ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে অফিসকক্ষে ঢুকে কম্পিউটার মনিটর, ডিভিআর, ফ্রিজ, ল্যাপটপ, টেবিল, চেয়ার ও আলমারি ভাঙচুর করা হয়। এতে আরও প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

টাকা ও নির্মাণসামগ্রী লুটের অভিযোগ

এজাহারে বলা হয়েছে, অফিসের একটি লকার ভেঙে নির্মাণসামগ্রী কেনার জন্য রাখা ২৫ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। এ ছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের পাশে রাখা ২৩ টন রড, যার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা, এবং প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের একটি সিএফ মোটর স্কুটার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

স্টোররুম থেকেও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ও সরঞ্জাম চুরির অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের ২০০ কয়েল তার, পাঁচটি পানির পাম্প, নির্মাণসামগ্রী ওঠানোর সরঞ্জাম, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, সিসি ক্যামেরা, ডিভিআর ও মনিটরসহ বিভিন্ন মালামাল রয়েছে।

সালমানের স্টুডিওতেও ব্যাপক ভাঙচুর

এজাহারে বলা হয়েছে, নিউগিনি প্রোপার্টিজের একটি ৫ হাজার বর্গফুটের ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সালমান মুক্তাদীর ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিও পরিচালনা করতেন। হামলাকারীরা সেখানে ঢুকে দুটি টেলিভিশন, এসি ও অন্যান্য আসবাব ভাঙচুর করেন।

এতে প্রায় ৯৫ লাখ টাকার ক্ষতি এবং বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে হামলা ও ভাঙচুরে ১ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি এবং ১ কোটি ৫০ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাঁচটি শটগানের গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি পিস্তলের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মো. মামুন ও মো. আসলামকে গ্রেফতার করে। মামুনের কাছ থেকে কাঠের বাটসহ দুটি ধারালো ছুরি এবং আসলামের কাছ থেকে একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শাহরিয়ারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

27 September 2026

সালমান মুক্তাদীরের স্টুডিও:ইসিবি নিউগিনি প্রকল্পে হামলা-ভাঙচুর: সাবেক মেজর জেনারেলসহ ১৩ জনের নামে মামলা, এজাহারে যা আছে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাসে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, গ্রেফতার তিন

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)

সালমান মুক্তাদীরের স্টুডিও:ইসিবি নিউগিনি প্রকল্পে হামলা-ভাঙচুর: সাবেক মেজর জেনারেলসহ ১৩ জনের নামে মামলা, এজাহারে যা আছে

আপডেট সময় : ০৯:২৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার দক্ষিণ মানিকদীর ইসিবি চত্বর এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদীরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওসহ একটি আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর, গুলি ও লুটপাটের অভিযোগে সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের প্রকল্পে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ বলছে,গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে একজনকে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

মামলায় নাম থাকা অন্য ব্যক্তিরা হলেন— শাহরিয়ার মাহমুদ, মো. আবুল কাশেম, মো. বাবুল হোসেন, মোহাম্মদ শাহিনুজ্জামান, মতিউর রহমান, মজিবুর রহমান, নুরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, এমকে আজাদ, মো. মামুন, মো. আসলাম ও মুন্না।

নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের পক্ষ থেকে মো. সাইফুল ইসলাম ভূইয়া বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করেন।

দুই ট্রাকে লোকজন গিয়ে হামলা

সালমান মুক্তাদীরের অভিযোগ, শনিবার রাতে দুটি ট্রাকে করে লোকজন গিয়ে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। রাত পৌনে দুইটার দিকে স্টুডিওটির ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে তিনি বলেন, কিছুক্ষণ আগে সেখানে হামলা হয়েছে এবং পুরো স্টুডিও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিও পরিচালনা করতেন সালমান মুক্তাদীর।

পুলিশের ভাষ্য, নিউগিনি প্রোপার্টিজের জমির মালিক এবং এলাকার অন্য জমির মালিকদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই বিরোধের সঙ্গে সালমান মুক্তাদীরের স্টুডিওও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এজাহারে হামলা ও ভাঙচুরের বর্ণনা

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গতকাল শনিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে আসামিরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নিউগিনি প্রোপার্টিজের প্রকল্পে প্রবেশ করেন। তাঁদের হাতে পিস্তল, শটগান, রিভলবার, চাপাতি, রামদা, ছুরি, রড ও লাঠিসোঁটা ছিল। তারা কয়েক দফা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।

এ সময় প্রকল্পের শ্রমিক ও নিরাপত্তাকর্মীরা ছোটাছুটি শুরু করেন। হামলাকারীরা প্রকল্পের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. পারভেজকে মারধর করেন। একজন রিভলবারের বাট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। পরে ছুরি দিয়ে তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে, বাম হাত ও পিঠে আঘাত করা হয়।

পারভেজকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে নিরাপত্তাকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলামকেও মারধর করা হয়। তার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি ওয়্যারলেস সেট নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা প্রকল্পের প্রধান ফটকে গুলি করে লোহার গেট, থাইগ্লাস ও কাঁচের গেট ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে অফিসকক্ষে ঢুকে কম্পিউটার মনিটর, ডিভিআর, ফ্রিজ, ল্যাপটপ, টেবিল, চেয়ার ও আলমারি ভাঙচুর করা হয়। এতে আরও প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

টাকা ও নির্মাণসামগ্রী লুটের অভিযোগ

এজাহারে বলা হয়েছে, অফিসের একটি লকার ভেঙে নির্মাণসামগ্রী কেনার জন্য রাখা ২৫ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। এ ছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের পাশে রাখা ২৩ টন রড, যার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা, এবং প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের একটি সিএফ মোটর স্কুটার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

স্টোররুম থেকেও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ও সরঞ্জাম চুরির অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের ২০০ কয়েল তার, পাঁচটি পানির পাম্প, নির্মাণসামগ্রী ওঠানোর সরঞ্জাম, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, সিসি ক্যামেরা, ডিভিআর ও মনিটরসহ বিভিন্ন মালামাল রয়েছে।

সালমানের স্টুডিওতেও ব্যাপক ভাঙচুর

এজাহারে বলা হয়েছে, নিউগিনি প্রোপার্টিজের একটি ৫ হাজার বর্গফুটের ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সালমান মুক্তাদীর ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিও পরিচালনা করতেন। হামলাকারীরা সেখানে ঢুকে দুটি টেলিভিশন, এসি ও অন্যান্য আসবাব ভাঙচুর করেন।

এতে প্রায় ৯৫ লাখ টাকার ক্ষতি এবং বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে হামলা ও ভাঙচুরে ১ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি এবং ১ কোটি ৫০ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাঁচটি শটগানের গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি পিস্তলের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মো. মামুন ও মো. আসলামকে গ্রেফতার করে। মামুনের কাছ থেকে কাঠের বাটসহ দুটি ধারালো ছুরি এবং আসলামের কাছ থেকে একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে শাহরিয়ারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

27 September 2026

সালমান মুক্তাদীরের স্টুডিও:ইসিবি নিউগিনি প্রকল্পে হামলা-ভাঙচুর: সাবেক মেজর জেনারেলসহ ১৩ জনের নামে মামলা, এজাহারে যা আছে