কাস্টমস হাউস, ঢাকা আনুমানিক রাত ০৯:৩৫ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবগত হয় যে, গত ০২.০৯.২০২৬ খ্রি. তারিখে আনুমানিক রাত ০৯:২০ ঘটিকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত ফ্লাই দুবাইয়ের ফ্লাইট নং FZ523 এর মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালান সংঘটিত হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনাৎ বিমানবন্দরে কর্মরত কাস্টমস হাউস, ঢাকার কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ বিমানের অভ্যন্তরে র্যামেজিং বা বিশেষ তল্লাশীর জন্য উপস্থিত হন এবং বিমানটি যাত্রীবিহীন অবস্থায় দেখতে পান। পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ০৯:৪০ ঘটিকায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাশী চালিয়ে বিমানটির 19A নম্বর সিটের নিচে কালো স্কচটেপে মোড়ানো কতিপয় বস্তু পাওয়া যায়। উক্ত বস্তুগুলা কাস্টমস হলে এনে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে ইনভেন্ট্রি করে ৮০ পিস গোল্ড বার উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন (৮০×১১৬.৬৪)= ৯৩৩১ গ্রাম এবং আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণবারগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়। ফ্লাই দুবাইয়ের সংশ্লিষ্ট এয়ারক্রাফটের সিটের নিচে কালো স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় অত্যন্ত সুকৌশলে লুকিয়ে স্বর্ণবারগুলো অবৈধভাবে সরকারি ধার্যকৃত শুল্ক-করাদি ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে দেশে আনা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে যেকোনো পথে বিমানবন্দর সীমানার বাইরে পাচারের আশঙ্কা ছিল। কাস্টমস হাউস, ঢাকা এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ কর্ম তৎপরতায় সফলভাবে এই স্বর্ণ চোরাচালানটি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। আটককৃত স্বর্ণবারগুলো অধিক মূল্যবান হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কাস্টমস-এর মূল্যবান গুদামে জমা করা হয়েছে। অখালাসকৃত বা চোরাচালানের অভিযোগে আটক ও বাজেয়াপ্তকৃত পণ্যের নিষ্পত্তি পদ্ধতি সংক্রান্ত স্থায়ী আদেশ মোতাবেক মূল্যবান ধাতু হিসেবে স্বর্ণবারগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা প্রদানের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উক্ত আটকের বিষয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি ফৌজদারী মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং-০৭, তারিখ: ০৩.০৯.২০২৬খ্রি.)। দেশীয় অর্থনীতি রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাস্টমস হাউস, ঢাকা সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ধরনের নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।






















