রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল থানাধীন আলুবাজার এলাকার ‘আরমান’ নামের একটি সেলুনে এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পরপরই রাত দেড়টার দিকে দগ্ধদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। বিস্ফোরণে সেলুনে থাকা গ্রাহক এবং কর্মচারীসহ মোট ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বংশাল এলাকার ওই সেলুনটিতে এসি বিস্ফোরণের পর দগ্ধ অবস্থায় ১০ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে শরীরের গুরুত্ব বিবেচনা করে ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকি একজনকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।
দগ্ধদের পরিচয় ও শারীরিক অবস্থা:
চিকিৎসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে ৫ জন সেলুনের গ্রাহক এবং ৫ জন সেলুনটির কর্মী। তাদের দগ্ধের পরিমাণ নিচে উল্লেখ করা হলো:
-
গ্রাহকবৃন্দ:
-
মো. ফারুক (৩৫): শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ (ভর্তি)
-
মো. রিংকু (৩০): শরীরের ২১ শতাংশ দগ্ধ (ভর্তি)
-
মো. রফিক (২৫): শরীরের ১২ শতাংশ দগ্ধ (ভর্তি)
-
রনি (৩৬): শরীরের ১০ শতাংশ দগ্ধ (ভর্তি)
-
জসিম (৪০): শরীরের ৮ শতাংশ দগ্ধ (ভর্তি)
-
-
সেলুন কর্মী ও অন্যান্য:
-
রাজু (৩৪): শরীরের ১৮ শতাংশ দগ্ধ (ভর্তি)
-
পাপ্পু (২৬): শরীরের ১৮ শতাংশ দগ্ধ (ভর্তি)
-
শমসেদ (৩০): শরীরের ১৫ শতাংশ দগ্ধ (ভর্তি)
-
আরমান (৩৭): শরীরের ১৫ শতাংশ দগ্ধ (ভর্তি)
-
শাকিব (১৭): শরীরের ১ শতাংশ দগ্ধ (জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে চিকিৎসাধীন)
-
ডা. শাওন বিন রহমান আরও জানান, আহত শাকিবের শরীরের মাত্র ১ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হয়নি; তাকে জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে সেলুনের এসি বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণটি তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।





















